1. admin@sylheteralap24.com : admin :
  2. kolyrahmankhan@gmail.com : editor : Jillur khan
  3. s.mahmud7612@gmail.com : Sultan Mahmud : Sultan Mahmud
  4. shakilpress2020@gmail.com : Shakil Ahmed : Shakil Ahmed
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন

শাবান মাসের আমল

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

সিলেট আলাপ ডেস্ক :হিজরি বর্ষের অষ্টম মাসের নাম শাবান। এর পরের মাসই হলো- পুণ্যের বসন্ত পবিত্র রমজান মাস।

তাই শাবান মাস এলেই রমজানের পবিত্রতার আবহ শুরু হয়ে যায়।
পবিত্রতার সঙ্গে রমজানকে বরণ করে নেওয়ার জন্য পবিত্র হাদিস শরিফে শাবানের বেশ কিছু ফজিলত ও করণীয় বর্ণিত হয়েছে। সেগুলো হলো-

হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, ‘আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে শাবান মাসের রোজা সবচেয়ে বেশি প্রিয় ছিল। ’ – বায়হাকি: ৮৬৯১

হজরত আবু হুরায়রার (রা.) সূত্রে হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেন, ‘রমজান ঠিক রাখার জন্য শাবানের চাঁদ গণনা কর। ’ – সুনানে তিরমিযি: ৬৮৭

হজরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) বর্ণনা করেন, একদা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলো- হে আল্লাহর রাসূল! কোন রোজার ফজিলত বেশি? উত্তরে তিনি বললেন, ‘রমজান মাসের সম্মানার্থে শাবান মাসে রাখা রোজার ফজিলত বেশি। আবার জিজ্ঞাসা করা হলো- কোন দানের ফজিলত বেশি? উত্তরে তিনি বললেন, রমজান মাসের দানের ফজিলত বেশি। ’ – বায়হাকি: ৮৭৮০

হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, ‘আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বছরের অন্য কোনো মাসে শাবান মাসের চেয়ে বেশি রোজা রাখতে দেখিনি। শাবান মাসে তিনি প্রায় সারা মাসই রোজা রাখতেন। খুব সামান্য কয়েক দিন বাদ যেত। ’ – সুনানে তিরমিযি: ৭৩৬

হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, ‘আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শাবান মাসের তারিখ এতটাই মনে রাখতেন যতটা অন্য মাসের তারিখ মনে রাখতেন না। শাবানের ২৯ তারিখ চাঁদ দেখা গেলে পরের দিন রমজানের রোজা রাখতেন। আর সেই দিন আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে শাবান ৩০তম দিন পূর্ণ করে রমজানের রোজা শুরু করতেন। ’– সুনানে আবু দাউদ: ২৩২৭

হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, ‘আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজান মাস ব্যতীত আর কোনো সময় পূর্ণ মাসব্যাপী রোজা রাখতেন না এবং শাবান মাসের চেয়ে বেশি রোজাও অন্য কোনো মাসে রাখতেন না। ’ – সহিহ বোখারি: ১৯৬৯

এই হাদিসসমূহের আলোকে শাবান মাসের কয়েকটি আমল প্রমাণিত হয়। সেগুলো হলো-
১. মনে-প্রাণে অধীর আগ্রহে রমজানের অপেক্ষা করতে থাকা।
২. শাবানের প্রতিদিন চাঁদের তারিখ মনে রাখা, ভুলে না যাওয়া। শাবানের চাঁদের তারিখ হিসাব করে রমজানের অপেক্ষা করা।
৩. শাবানের রোজাকে ভালোবাসা।
৪. যত বেশি সম্ভব শাবান মাসে রোজা রাখা। তবে ২৭ শাবানের পর রোজা রাখা যাবে না।

খবর পেতে সিলেটের আলাপ  লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন

সিলেট আলাপ// শাকিব

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © সিলেটের আলাপ ২৪
Theme Customized By Shakil IT Park