1. admin@sylheteralap24.com : admin :
  2. kolyrahmankhan@gmail.com : editor : Jillur khan
  3. s.mahmud7612@gmail.com : Sultan Mahmud : Sultan Mahmud
  4. shakilpress2020@gmail.com : Shakil Ahmed : Shakil Ahmed
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন

প্রথমবার লাল বানরের ক্লোন বানালেন বিজ্ঞানীরা

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৪

সিলেট আলাপ ডেস্ক :গবেষণা চালাতে প্রথমবারের মতো লাল বানরের (রেসাস) ক্লোন তৈরি করলেন চীনের বিজ্ঞানীরা। আর মানুষের মতোই এই প্রজাতির বানরের শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়াকলাপ বলে জানানো হয়েছে।

এর মাধ্যমে ওষুধের পরীক্ষা-নিরীক্ষা আরও গতিশীল হবে। কারণ, জিনগত অভিন্ন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন প্রাণী চিকিৎসা বিষয়ক গবেষণার ট্রায়ালে তুলনামূলক ফল দেয়। যা পরীক্ষণের নিশ্চয়তা বাড়ায়।

চীনা বিজ্ঞানীরা ২০১৮ সালে জন্ম দিয়েছিলেন বিশ্বের প্রথম ক্লোন বানরের। সেসময় ম্যাকক বানরের ক্লোন তৈরি করেছিল চীনারা। এরই ধারাবাহিকতায় এবার রেসাস বানর ক্লোন করলেন তারা।

এই ক্লোন তৈরিতে গবেষকরা ১১৩টি ভ্রূণ ব্যবহার করেছিলেন, যার মধ্যে ১১টি ভ্রূণ প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল। দুটি ভ্রূণ গর্ভধারণ করানো হয়েছিল এবং একটি থেকে সন্তান জন্ম দেয়া হয়।

গবেষকরা ‘ট্রফোব্লাস্ট রিপ্লেসমেন্ট’ পদ্ধতি ব্যবহার করে বানরটি তৈরি করেছেন। এ বানরের নাম তারা দিয়েছেন ‘রেট্রো’।

রেসাস বানর মূলত এশিয়ার বনাঞ্চলে দেখা যায়। বিশেষত ভারত, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, চীন হয়ে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে পাওয়া যায়। এ প্রজাতির বানর সংক্রামক ব্যাধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে গবেষণায় বহুল ব্যবহৃত।

‘চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেস’ বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. ফ্যালং লু বিবিসিকে বলেছেন, ‘এ ধরনের সফলতায় সবাই আনন্দে উদ্ভাসিত।’

যদিও যুক্তরাজ্যের রয়্যাল সোসাইটি অফ ক্রুয়েলটি টু এনিমেলসের (আরএসপিসিএ) একজন মুখপাত্র বলেন, সংস্থাটি বিশ্বাস করে, প্রাণীর দুর্ভোগ মানব রোগীদের জন্য যে কোনও তাত্ক্ষণিক সুবিধার চেয়ে অনেক বেশি।

নেচার কমিউনিকেশনস জার্নালে এক লেখায় গবেষকরা বলেছেন, তারা এই একই কাজ করেছেন। আর তা করা হয়েছে একটি রেসাস বা লাল বানরের ক্ষেত্রে। তারা বলছেন, প্রাণীটি ২ বছরের বেশি সময় ধরে সুস্থ আছে। এতে বোঝা যায়, গবেষণাটি সফল হয়েছে।

এর আগে রেসাস বানর ক্লোনিংয়ের যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল, তাতে আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়নি। কারণ, এরা সন্তান জন্ম দিতে পারেনি কিংবা সন্তানরা কয়েকঘণ্টার মধ্যেই মারা গিয়েছিল।

একটি পশু কল্যাণ সংস্থা বলছে, ক্লোন উন্নয়নের মাধ্যমে গবেষণার এমন ধারা নিয়ে তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে যৌন প্রজননের ফলে যে সন্তানের জন্ম হয়, তার মধ্যে বাবা ও মায়ের জিনের মিশ্রণ থাকে। কিন্তু ক্লোনিং কৌশলে একটি একক প্রাণী থেকে জিনগতভাবে হুবহু আরেকটি প্রাণীর জন্ম দেয়া হয়।

সবচেয়ে বিখ্যাত ক্লোন প্রাণী ডলি নামের ভেড়াটি ১৯৯৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল।

খবর পেতে সিলেটের আলাপ  লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন

সিলেট আলাপ// শাকিব

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © সিলেটের আলাপ ২৪
Theme Customized By Shakil IT Park