
মুফিজুর রহমান নাহিদ:
সিলেট জেলার অপরাধ দমন, আসামী গ্রেফতার ও জেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশ, সিলেট নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাছাড়া জেলার সংঘটিত সংঘবদ্ধ অপরাধ, খুন, ধর্ষণ, পরোয়ানাভূক্ত সাজাপ্রাপ্ত ও চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে জেলা পুলিশ, সিলেট সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব গোলাম দস্তগীর আহমদ এর দিক নির্দেশনায় অদ্য ১১/১০/২০২৩খ্রিঃ তারিখ রাত ০৩.০০ ঘটিকার সময় কানাইঘাট থানার এসআই(নিঃ)/ পীযূষ চন্দ্র সিংহ সঙ্গীয় ফোর্সসহ জৈন্তাপুর থানাধীন ০৩নং চারিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের মাঠ হইতে গত ০৭/১০/২০২৩খ্রিঃ তারিখ বিকাল অনুমান ০৫.০০ ঘটিকা হইতে রাত ০৮.০০ ঘটিকার মধ্যবর্তী সময়ে কানাইঘাট থানাধীন পশ্চিম সর্দারমাটি সাকিনের মৃত মোহাম্মদ আলী এর পুত্র আবুল কালাম এর উদ্রাকান্দি পশ্চিম হাওরের মহিষের বাতান থেকে চোরাই যাওয়া ০১টি মহিষ উদ্ধার সহ মহিষ চোর রেজওয়ান আহমদ(৩৮), পিতা- মৃত মুদাচ্ছির আলী, সাং- হারাতৈল কাদিরগ্রাম, থানা- কানাইঘাট, জেলা- সিলেটকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে জনৈক আবুল কালাম বাদী হইয়া কানাইঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করিলে কানাইঘাট থানার মামলা নং- ১০, তারিখ- ১১/১০/২০২৩খ্রিঃ, ধারা- ৩৭৯ পেনাল কোড, ১৮৬০ রুজু করা হয়। এজাহার সূত্রে জানা যায় বাদীর ৩১টি মহিষের রাখাল জনৈক মারুফ আহমদ এর মাধ্যমে গত ০৭/১০/২০২৩খ্রিঃ তারিখ হাওরে চড়ানোর পর ঐ দিন বিকাল ০৫.০০ ঘটিকার সময় মহিষ গুলো মহিষের বাতানে রাখিয়া ভাত খাওয়ার জন্য বাদীর বাড়িতে আসে। পরবর্তীতে ঐ দিন রাত ০৮.০০ ঘটিকার সময় উক্ত রাখাল মারুফ আহমদ মহিষের বাতানে গিয়ে দেখতে পান তন্মধ্যে ০১টি মহিষ নাই। বিষয়টি বাদী আবুল কালাম থানা পুলিশকে মৌখিকভাবে অবহিত করিয়া নিজেও খোঁজাখুজি করিতে থাকে। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে এসআই(নিঃ)/ পীযূষ চন্দ্র সিংহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাদীসহ জৈন্তাপুর থানার চারিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের মাঠ হইতে চোরাই যাওয়া মহিষ সহ আসামীকে গ্রেফতার করেন। উক্ত আসামীকে বিধি মোতাবেক অদ্য বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।