1. admin@sylheteralap24.com : admin :
  2. kolyrahmankhan@gmail.com : editor : Jillur khan
  3. shakilpress2020@gmail.com : Shakil Ahmed : Shakil Ahmed
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি নেতাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন এমপি এমরান আহমদ জৈন্তাপুরে বাসের সাথে সংঘর্ষে প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর সিলেটে মশাল মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের ৩ নেতা আটক বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের নবনির্বাচিত কমিটিকে অনলাইন সংবর্ধনা গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির কমিটি গঠন : সভাপতি দেলোয়ার, সম্পাদক ফাহাদ গোলাপগঞ্জে ২ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ইয়াবা উদ্ধার ৮ বছর পর ওসমানী বিমান বন্দরে নামল বিদেশি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সরাইলে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, র‌্যাব ধরল শাওনকে সিলেটে ২৫৪ পিস ভারতীয় কম্বলসহ আটক ২

কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো শদাইশাহ (রা.) মাজার গোলাপগঞ্জে আতঙ্ক—দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে হারাবে ঐতিহ্যের স্মৃতি

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

গোলাপগঞ্জ (সিলেট) থেকে:
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার শরীফগঞ্জ ইউনিয়নের পনাইচক গ্রামে অবস্থিত হযরত শদাইশাহ (রা.)-এর প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো মাজার এখন কুশিয়ারা নদীর ভয়াবহ ভাঙনের মুখে পড়েছে। ইতোমধ্যে মাজারের সীমানা প্রাচীরের একটি বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ঝুঁকির মুখে রয়েছে মূল মাজার ভবনটিও।
সাম্প্রতিক সময়ে নদীর স্রোত বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙন আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। মাজারসংলগ্ন মাটি ধসে পড়ছে, চারপাশে ফাটল দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যে কোনো সময় পুরো স্থাপনাটি নদীতে তলিয়ে যেতে পারে।
৩৬০ আউলিয়া পনাইচক শদাইশাহ (রহ.) হিফজুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ এম এ হাসনাত বলেন, ভয়াবহ নদীভাঙনে গোলাপগঞ্জের শরীফগঞ্জ ইউনিয়নের প্রায় ৫০০ বছরের পুরোনো হযরত সৈয়দ শদাইশাহ (রহ.)-এর মাজার ও মসজিদ বিলীন হওয়ার পথে, যা এলাকার ঐতিহ্যের জন্য অপূরণীয় ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে। প্রতিবছর এখানে ওরশ, জিকির-মিলাদ ও কুরআন তেলাওয়াতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভক্তরা সমবেত হতেন।
তিনি জানান, নদীভাঙনের হুমকিতে আশপাশের স্কুল, মসজিদ ও রাস্তাঘাটও ঝুঁকিতে রয়েছে। শদাইশাহ (রহ.)-এর জীবনী ও কেরামতের নানা ঘটনা এখনও মানুষের মাঝে প্রচলিত।
তিনি আরও বলেন, “আমরা কারো কাছে আর্থিক সহযোগিতা চাই না, প্রয়োজনে নিজেরাই করবো। মাজারের নামে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।” পাশাপাশি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
মাজারের খাদিম শামসুল ইসলাম গেদাই বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। ঠিকাদার নিয়োগ হলেই দ্রুত কাজ শুরু করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হলে এখনো মাজারটি রক্ষা করা সম্ভব।
কুশিয়ারা নদীর এই ভয়াবহ ভাঙন শুধু একটি মাজারকেই হুমকির মুখে ফেলেনি, বরং আশপাশের বসতবাড়ি ও পুরো এলাকার মানুষকেও চরম ঝুঁকিতে ফেলেছে। এখনই কার্যকর উদ্যোগ না নিলে, ইতিহাসের একটি মূল্যবান নিদর্শন চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © সিলেটের আলাপ ২৪
Theme Customized By Shakil IT Park