1. admin@sylheteralap24.com : admin :
  2. kolyrahmankhan@gmail.com : editor : Jillur khan
  3. s.mahmud7612@gmail.com : Sultan Mahmud : Sultan Mahmud
  4. shakilpress2020@gmail.com : Shakil Ahmed : Shakil Ahmed
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন

জামায়াত কার্যালয়ে মার্কিন দূত

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫

সিলেট আলাপ ডেস্ক :জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি এ্যান জ্যাকবসন। রাজধানীর মগবাজার ওয়্যারলেস রেলগেটস্থ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ওই বৈঠক হয়। অতীতেও ঢাকায় দায়িত্বপালনকারী মার্কিন দূত কিংবা দেশটির সফরকারী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধিদের বৈঠক হয়েছে। সেসব বৈঠক হয় মার্কিন কোনো দূতের বাসভবন কিংবা অভিজাত হোটেলে। এবারই সম্ভবত প্রথম জামায়াতের মগবাজার অফিসে গেলেন কোনো মার্কিন দূত।

সূত্র মতে, জামায়াত নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ ওই অতিথিকে বরণে একটুও কার্পণ্য করেননি। বরং রেওয়াজের ব্যত্যয় ঘটিয়ে দলটির মহিলা বিভাগের নেত্রীদের সঙ্গে নিয়ে মার্কিন দূতের সঙ্গে বৈঠকে বসেন শীর্ষ নেতারা। বৈঠক শেষে অতিথিকে জামদানি শাড়ি উপহার দেন মহিলা বিভাগের নেত্রীরা। দলটির প্রচার বিভাগের সরবরাহ করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি মতে, আমীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মার্কিন দূতের সঙ্গে ছিলেন দূতাবাসের কর্মকর্তা জেমস স্টুয়ার্ট। জামায়াত আমীরের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন- নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি সাইদা রুম্মান, কর্মপরিষদ সদস্য প্রফেসর ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট, মজলিসের শূরা সদস্য, ডা. আমিনা রহমান ও জামায়াত আমীরের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।

বৈঠক বিষয়ে নায়েবে আমীরের ব্রিফিং: এদিকে বৈঠক শেষে নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ সম্পর্কে বিশেষ করে রিফর্মস, নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং কোনো সিকিউরিটি থ্রেট আছে কিনা- তা জানতে চেয়েছেন। আমাদের এ অঞ্চলে যে সিকিউরিটি থ্রেট আছে সে ব্যাপারে উনারা আমাদের অবস্থান জানতে চেয়েছেন। টেরোরিজমের ব্যাপারে আমাদের ভিউজ এবং বাংলাদেশের পজিশন জানতে চেয়েছেন। আমরা এসব বিষয়ে তাদের অবহিত করেছি।

তিনি বলেন, ক্লিয়ার বলে দিয়েছি, আমরা একটা ফেয়ার ইলেকশন চাচ্ছি। আমরা বেসিক রিফর্মস চাই। বাংলাদেশে আর যেন কোনো দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজির রাজনীতি ফিরে না আসে সে ব্যাপারে আমরা জিরো টলারেন্স। আমরা করাপশন ফ্রি একটা বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা সবসময় গণতন্ত্রের পক্ষে। আমরা এটাও বলেছি যে, আমাদের ফরেন পলিসি হলো সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়। একটা জেনারেশনাল স্টান্ডার্ড অব থিউরি এবং থিম যেভাবে কাজ করে, আমরা সেভাবেই কাজ করতে চাই- উইথ মিউচুয়াল রেসপেক্ট আন্ডারস্টাডিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স। আমরা এটাও বলেছি যে, সকল নেইবরিং কান্ট্রির সঙ্গে কনজেনিয়াল এটমোসফিয়ার-এ গুড নেইবারহুড-এর যে প্রিন্সিপল অ্যান্ড পলিসি আছে উইথ সিকিউরিট অ্যান্ড রাইটস আমরা সেটাতে বিশ্বাস করি। মৌলিকভাবে এই কয়েকটি বিষয়ের ওপর আমাদের আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে কথা হয়েছে- ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কীভাবে আরও উন্নত হতে তা নিয়ে। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আগেও তারা কাজ করেছে এবং আগামীতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে তারা কাজ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

মার্কিন শুল্ক কমাতে আমীরের বিশেষ অনুরোধ: নায়েবে আমীর বলেন- জামায়াত আমীর একটি বিষয় মার্কিন দূতকে বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন, সেটা হলো ট্যারিফ সম্পর্কে। আমেরিকা আমাদের ব্যবসার ওপর ৩৫% ট্যারিফ বসিয়ে দিয়েছে; যেটা আমাদের দেশের স্পেশালি গার্মেন্টস সেক্টরকে সাংঘাতিকভাবে অ্যাফেক্ট করবে। আমীরে জামায়াত অ্যাম্বাসেডরের মাধ্যমে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট এবং গভর্নমেন্টকে স্পেশাল অনুরোধ করেছেন, এ ব্যাপারে যেন কনসিডার করেন যাতে ট্যারিফ কমিয়ে দিয়ে একটা সহনীয় পর্যায় এনে বাংলাদেশের গার্মেন্টস এবং অন্যান্য এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড যে সমস্ত গুডস আছে সেগুলো আমরা অব্যাহত রাখতে পারি।

নায়েবে আমীর বলেন, ওভারঅল আমাদের সিকিউরিটি ইস্যু, ল’ ইস্যু এবং ইলেকশনের জন্য যে প্রস্তুতি, ফেয়ার করার জন্য যেসব অ্যারেজমেন্ট, রিফর্মস আছে সে সম্পর্কে আলোচনা হয়। আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিশেষ কোনো দেশের ব্যাপারে আমাদের কথা হয়নি। আঞ্চলিক ইস্যুতে তো আমাদেরও কনসার্ন আছে। যেখানে পারস্পরিক সহযোগিতা করা সম্ভব এবং প্রয়োজন সেখানে আমরা পারস্পরিক সহযোগিতা করার ব্যাপারে আমরা একমত পোষণ করেছি।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের অফিস করা সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে ডা. তাহের বলেন, এ ব্যাপারে আমাদের অবস্থান খুব ক্লিয়ার; মানবতাবিরোধী, আমাদের কালচার বিরোধী, আমাদের ধর্মীয় অনুশাসন বিরোধী যদি কোনো কিছু থাকে তাহলে অবশ্যই আমরা এটার বিরোধিতা করবো এবং আমরা বিরোধিতা করছি। যদি পজিটিভ হেল্প করার জন্য এটা এক্সপানশন হয় তাহলে তো ইটস ওকে। এজন্য আমাদের স্ট্যান্ডকে ক্লিয়ারলি অবজারভেশনে রেখে আমরা আমাদের ভূমিকা নির্ধারণ করবো।

খবর পেতে সিলেটের আলাপ  লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন

সিলেট আলাপ// আরওয়া

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © সিলেটের আলাপ ২৪
Theme Customized By Shakil IT Park