1. admin@sylheteralap24.com : admin :
  2. kolyrahmankhan@gmail.com : editor : Jillur khan
  3. s.mahmud7612@gmail.com : Sultan Mahmud : Sultan Mahmud
  4. shakilpress2020@gmail.com : Shakil Ahmed : Shakil Ahmed
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২৭ পূর্বাহ্ন

ফেঞ্চুগঞ্জে কম সিমেন্ট ব্যবহারে ওঠে যাচ্ছে টাইলস

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৪ আগস্ট, ২০২৩

ফেঞ্চুগঞ্জ সংবাদদাতা:কাজ শেষ হওয়ার আগেই সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার সদরে ফুটপাতে বসানো টাইলস ওঠে যাচ্ছে।সিলেট সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) আওতাধীন সড়কের ফুটপাত উন্নয়নের (ইনগ্রেভেট কালার টাইলস বসানো) এই কাজে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

সঠিক পরিমাণের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি বালুর সঙ্গে কম সিমেন্ট ব্যবহার করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। দায়সারা কাজ হওয়ায় ফুটপাতে বসানো বেশিরভাগ টাইলস নড়বড় করছে এবং পথচারীদের পদভারে উঠে যাচ্ছে। ফলে বিফলে যাচ্ছে বিশাল অঙ্কের বিনিময়ে নেওয়া উন্নয়নের এই উদ্যোগ।

জানা যায়, সড়ক ও জনপথ বিভাগের ফুটপাত উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ফেরিঘাট-মাইজগাঁও বাজার পর্যন্ত প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ৩৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ইতোমধ্যে ওই প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ শুরু হয়েছে। ওই প্রকল্পের আওতায় রয়েছে ফেরিঘাট এলাকার গাড়ুলীছড়া সেতু থেকে পশ্চিম বাজার পর্যন্ত। ফেঞ্চুগঞ্জ থানার সম্মুখ থেকে মাইজগাঁও বাজার পর্যন্ত। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোজাহার এন্টারপ্রাইজ কাজটি করছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গত তিন-চার মাস আগে কাজ হওয়া পশ্চিম বাজার থেকে ফেরিঘাট গাড়ুলীছড়া সেতু পর্যন্ত ফুটপাতে অনেক স্থানে টাইলস নেই এবং অধিকাংশ ভেঙে গেছে। আবার ফেঞ্চুগঞ্জ-মাইজগাঁও সড়কের রাজনপুর ও পাঠানটিলা এলাকায় কোথাও কোথাও টাইলস ওঠে গিয়ে গর্ত হয়ে গেছে। অনেক স্থানে বসানো টাইলস নড়ছে। হাত দিয়ে তোলা যাচ্ছে টাইলস।

রাজনপুর গ্রামের বাসিন্দা মেহরাব হোসেন জুনেল, সজল দাস ও বাদশা মিয়াসহ কয়েকজন পথচারী জানান, সঠিকভাবে উপকরণ সামগ্রী না দেয়ার কারণে অনেক স্থানের টাইলস পথচারীদের পায়ের ভারে উঠে যাচ্ছে। আবার কোথাও কোথাও নড়বড় করছে টাইলসগুলো।

অভিযোগকারীরা বলেন, কাজে কর্মরত শ্রমিকরা তাদের জানান ৮টা বালি ও ১টি সিমেন্ট ব্যবহার করলে কতটুকু টেকসই হবে। তাছাড়া কোনো প্রকৌশলীকে প্রকল্প এলাকায় দেখা যায়নি বলেও তারা জানান। ফরহাদ হোসেন বলেন, ফুটপাতে যে কাজ হচ্ছে তা খুব নিম্নমানের। এখানে ঠিকাদার প্রচণ্ড ফাঁকি দিচ্ছেন। পাশাপাশি এ কাজে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের গাফিলতি রয়েছে। ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। এর সুফল মানুষ পাবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট শঙ্কা রয়েছে।

প্রকল্প এলাকায় কোনো শ্রমিকের কাছে ঠিকাদারের মোবাইল নাম্বার না থাকায় ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

সিলেট সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করা হবে। সন্তোষজনক কাজ না হলে নতুন করে কাজ করার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দেওয়া হবে।

সিলেট আলাপ/ তামান্না

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © সিলেটের আলাপ ২৪
Theme Customized By Shakil IT Park