
রিমন আহমদ সিলেট জেলা প্রতিনিধি:-
ভাদেশ্বর হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসায় মোবারক র্যালি ও পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপিত।
বিশ্ব মানবতার মুক্তির দিশারী , নিখিল বিশ্বের মহান নিয়ামত রাহমাতুল্লিল আলামিন, ১২ ই রবিউল আউয়াল মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর শুভাগমন উপলক্ষে ভাদেশ্বর হাফিজিয়া দাখিল মাদরাসায় মীলাদুন্নবী (সাঃ) ও মোবারক র্যালি সম্পন্ন হয়।
১৬ সেপ্টেম্বর ( সোমবার) মহানবী (সঃ)-এর শানে রচিত কালজয়ী নানা কশিদা নাতে রাসূল কবিতার শ্নোক অঙ্কিত, নানা রঙের ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড র্যালিতে শোভাবর্ধন করে। র্যালিটি ভাদেশ্বর ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মাদ্রাসায় গিয়ে মিলিত হয়।
মুহাম্মদ তোফায়েল এর সঞ্চালনায়, অত্র মাদ্রাসার সুপার মাওঃ আব্দুস সোবহান এর সভাপতিত্ত্বে পবিত্র মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন উপলক্ষে প্রতিযোগিতার পুরুষ্কার বিতরণ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়।
উল্লেখ্য যে, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) প্রায় ১৪৫০ বছর আগে এই দিনে আরবের মরু প্রান্তরে মা আমিনার কোলে আলোকিত করে পৃথিবির বুকে জন্ম নিয়েছিলেন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ),
আইয়ামে জাহেলিয়াতের অন্ধকার দূর করে রাহমাতুল্লিল আলামিন এই পৃথিবির রহমত রুপে আগমন করলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) অন্ধকার দূর করে ইসলামের আলোয় আলোকিত করেছেন, শান্তির ধর্ম ইসলাম। তাঁর আবির্ভাব এবং ইসলামের শান্তির লালিত বাণীর প্রচার সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে। মহানবী (সাঃ) দীর্ঘ ২৩ বছর ইসলামের বার্তা প্রচার করে ৪০ বছর বয়সে নবুয়াত লাভ করে ৬৩ বছর বয়সে পরলোক গমন করেন।
সারা আরব বিশ্ব যখন পৌত্তলিকতার অন্ধকারে ডুবে গিয়েছিল, তখন মহান আল্লাহ পাক তাঁর পেয়ারা হাবিব বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)-কে বিশ্বজগতের রহমতস্বরূপে পাঠিয়েছিলেন। বিশ্ববাসীকে সততা, মুক্তি ও শান্তির পথে আহ্বান জানান। সব ধরনের কুসংস্কার, গোঁমরাহি, অন্যায়, অবিচার ও দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙে মানবসত্তার চিরমুক্তির বার্তা বহন করে ইসলাম কায়েম করেছিলেন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ভাদেশ্বর মডেল ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও: শুয়াইবুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত, প্রধান শিক্ষক হাফিজ মাওঃ রজব আলী ,সহ- সুপার মাওঃ গোলাম শাহ আলী , অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক হাফিজ মাও: আব্দুল বাছিত , হাফিজ সাহাব উদ্দিন, মাওঃ শিব্বির আহমদ, শাহপরান আল কোরআন সেন্টারের প্রতিষ্টাতা পরিচালক, মাও: হাফিজ ক্বারী শামসুল ইসলাম ভাদেশ্বর, হাফিজ মাওঃ আশরাফ হোসাইন খান, হাফিজ শাহনুর আহমদ, হাফিজ শরফ উদ্দীন, হাফিজ আবু তাহের, হাফিজ মাও: মো: শরিফ উদ্দিন, হাফিজ হাসান আহমদ, সাবেক ছাত্র সালেহ আহমদ, হাফিজ সেলিম আহমদ, নাঈম আহমদ, সাইফুল ইসলাম,এবং মাদ্রাসার সাবেক ও বর্তমান ছাত্র সহ বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ ও তালামিযে ইসলামিয়ার ইউপি শাখার সকল নেত্রিবৃন্দগন।
অনুষ্টান শেষে বিশেষ মোনাজাত করেন দক্ষিনভাগ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওঃ সৈয়দ রাকিব আল হেলালী।