
সিলেট আলাপ ডেস্ক :বিমানের কৃত্রিম টিকিট সংকট নিয়ে আলোচনা সমালোচনা হয় হর হামেশাই। কিন্তু তা ওই পর্যন্তই। সরকার আসে সরকার যায়, কিন্তু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের যাত্রী সেবায় তেমন কোনো পরিবর্তনই আসেনা।
বিশেষ করে কৃত্রিম টিকিট সংকট সমস্যা যেনো সমাধানহীন এক আজব সমস্যা। স্বৈরাচারের আমল থেকে শুরু করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমল- সব আমলেই এই সমস্যা সবসময় বহাল।
বিষয়টি আবার নতুন করে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন জনপ্রিয় অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ডা. অরকাতুল জান্নাত।
শুক্রবার (৩১ মে) বিমানের সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে বিজি ৬০১ ফ্লাইটে তার সিলেট আসার কথা। তার নিজের টিকিট আগেই কেটে রেখেছিলেন। তবে আরেকটি টিকিট জরুরী হওয়ায় অনলাইনে টিকিট কাটতে গিয়ে দেখেন ‘সোল্ড আউট’।
সকাল ৯টা ২০ মিনিটে তিনি শাহজালাল বিমানবন্দরের কাউন্টারে গিয়ে টিকিট কাটতে চেয়েছিলেন। এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক আইডিতে তার দেয়া স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ মুখের উপর টিকিট নাই বলে দেন কাউন্টারের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল। আরেকবার রিকুয়েস্ট করার পরেও জবাব এলো ‘ফুল ফ্লাইট বুকড’।
এরপর তিনি বিমানে উঠার পর ফুল ফ্লাইট বুকড’র নমুনা দেখে অবাক হন। লেখেন, ‘প্লেনে উঠে দেখি ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেকগুলো সিট ফাঁকা, বোর্ডিং কমপ্লিটেড মানে আর কোন যাত্রী বাকী নেই। ৭৪ সিটের বিমানে প্যাসেঞ্জরের সংখ্যা ৬৪ জন+ ১ জন বেবি। মনে অসংখ্যবার প্রশ্ন জেগেছে, বাকী ১০টা খালি সিট কাদের জন্যে রাখা হলো?’
ডাক্তার অরকাতুল জান্নাত তার স্ট্যাটাসের শেষের দিকে লেখেন, বিমান বাংলাদেশ আমাদের, বাংলাদেশের জনগনের, আর সেকারণেই লিখা। তার প্রশ্ন, ‘রাষ্ট্রের নিজস্ব এই ফ্লাইং ক্যারিয়ার যেটার লোকসানের কথা প্রায়ই শোনা যায়, সেটার দায় আসলে কাদের?
বিশেষ দ্রষ্টব্যে তিনি লেখেন, ১১টা ২৫ মিনিটেও কিন্তু প্লেন ছাড়েনি। আমি বিমান অথোরিটির কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। আশা করি উনারা বিষয়টি দেখবেন।’
বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় চলছে।
খবর পেতে সিলেটের আলাপ লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন
সিলেট আলাপ// শাকিব
