
সিলেট আলাপ ডেস্ক :সিলেট নগরে বর্তমানে যানজটের অন্যতম কারণ হচ্ছে সিএনজি অটোরিকশা। প্রতিদিন অন্তত ২৫-৩০ হাজার সিএনজি অটোরিকশা নগরে সড়কে চলছে। এতে যানজট সৃষ্টি হওয়ায় সাধারণ মানুষও সিএনজি অটোরিকশার উপর ক্ষুব্ধ।
সিলেটে আগে ছিল জেলা বিআরটিএ। মেট্রো বিআরটিএ নতুন করে গঠন করা হয়েছে। জেলার রেজিস্ট্রেশন নিয়ে নগরেও চলছে সিএনজি অটোরিকশা। ২০১৪ সাল পর্যন্ত জেলা বিআরটিএ সিলেটে ১৯ হাজার ২৩৪টি সিএনজি অটোরিকশার রেজিস্ট্রেশন দিয়েছিল। এরপর থেকে রেজিস্ট্রেশন বন্ধ আছে। কিন্তু বাস্তবে সিলেট নগর ও জেলা মিলে সিএনজি’র সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। অবৈধ অটোরিকশার সংখ্যা অর্ধেকের বেশি। অবৈধ অটোরিকশার মধ্যে রয়েছে নতুন কেনা অটোরিকশা হবে ৬-৭ হাজার, চোরাই সিএনজি’র সংখ্যা হবে ৭-৮ হাজার ও অন্য জেলার গাড়ি হবে ৬-৭ হাজার। এসব সিএনজি অটোরিকশাই হচ্ছে নগরের যানজটের অন্যতম কারণ। অবৈধ অটোরিকশার মালিক ও চালকরা ‘টোকেন বাণিজ্যের’ মাধ্যমে এসব গাড়ি দাপটের সঙ্গে নগরের সড়কে চালাচ্ছেন। আর টোকেন বাণিজ্যে জড়িত ট্রাফিক পুলিশ, থানা পুলিশের মাঠপর্যায়ের সদস্য ও অটোরিকশা শ্রমিকদের কিছুসংখ্যক নেতা। এতে করে মাসে অন্তত কোটি টাকার বাণিজ্য হয় বলে জানিয়েছেন পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা। টোকেন বাণিজ্যের মাধ্যমে অবৈধ অটোরিকশা চলার কারণে বৈধ অটোরিকশার মালিকরা লোকসানে রয়েছেন।
সিলেট জেলা বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেছেন রাস্তায় কোনো অবৈধ গাড়ি চলতে পারে না। জেলা ও নগরের অটোরিকশা একসঙ্গে নগরের সড়কে চলার কারণে বিশৃঙ্খল অবস্থা হচ্ছে। ফলে এ বিষয়টিকে এখন গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
অটোরিকশা মালিক ও শ্রমিকরা জানিয়েছেন, নগরের সড়কে চাপ কমাতে হলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। যানবাহনকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এজন্য তাদের পক্ষ থেকে আগে নানা প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে। নগর ও জেলার অটোরিকশা আলাদা করার প্রস্তাবও আছে। মেট্রো বিআরটিএ’র বৈঠকের পর এসব বিষয় নিয়ে পুলিশের সংশ্লিষ্ট বিভাগ চিন্তা-ভাবনা করছে।সূএ. সিলেট সমাচার
খবর পেতে সিলেটের আলাপ লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন
সিলেট আলাপ// শাকিব
