1. admin@sylheteralap24.com : admin :
  2. kolyrahmankhan@gmail.com : editor : Jillur khan
  3. shakilpress2020@gmail.com : Shakil Ahmed : Shakil Ahmed
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি নেতাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন এমপি এমরান আহমদ জৈন্তাপুরে বাসের সাথে সংঘর্ষে প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর সিলেটে মশাল মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের ৩ নেতা আটক বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের নবনির্বাচিত কমিটিকে অনলাইন সংবর্ধনা গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির কমিটি গঠন : সভাপতি দেলোয়ার, সম্পাদক ফাহাদ গোলাপগঞ্জে ২ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ইয়াবা উদ্ধার ৮ বছর পর ওসমানী বিমান বন্দরে নামল বিদেশি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সরাইলে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, র‌্যাব ধরল শাওনকে সিলেটে ২৫৪ পিস ভারতীয় কম্বলসহ আটক ২

সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারে ‘ভুয়া আসামি’!

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৪

সিলেট আলাপ ডেস্ক :জমির আলী পরিচয়ে এক ব্যক্তি সুনামগঞ্জের আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। পরে কারাগারের কর্মকর্তারা জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) সংরক্ষিত আঙুলের ছাপের সঙ্গে আসামির আঙুলের ছাপ মেলাতে গিয়ে বুঝতে পারেন, তিনি প্রকৃত আসামি নন। তিনি টাকার বিনিময়ে ভুয়া আসামি সেজে কারাগারে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।

সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার হুমায়ুন কবীর বলেন, পুলিশ যখন গ্রেপ্তার করে, তখন তিনি (আবু সামা) মিথ্যা পরিচয় দিয়ে থাকতে পারেন। আবার অন্য সময়ও পরিচয় বদল হতে পারে। কিন্তু কারাগারে আঙুলের ছাপ যাচাইয়ের পদ্ধতি থাকায় বিষয়টি খুব সহজেই ধরা পড়ে।

জমির আলী সেজে কারাগারে যাওয়া এই ব্যক্তির প্রকৃত নাম মো. আবু সামা। ভুয়া তথ্য দেওয়ার দায়ে আদালত তাঁকে কারাদণ্ড দেন।

শুধু সুনামগঞ্জ নয়, দেশের বিভিন্ন কারাগারে এমন ‘ভাড়ায় খাটা’ বন্দীর তথ্য মাঝেমধ্যেই বেরিয়ে আসছে। ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর পর্যন্ত প্রকৃত অপরাধীর পরিবর্তে জেল খাটা ২৪ ভুয়া বন্দীকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া কারাগারে এমন ২৯০ বন্দীকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যাঁরা একাধিক এনআইডি ব্যবহার করে একাধিকবার কারাগারে ঢুকেছেন। পাঁচটি এনআইডি ব্যবহার করে একই ব্যক্তির পাঁচবার কারাগারে ঢোকার বিষয়টিও প্রিজন ইনমেট ডেটাবেজ সিস্টেমের (পিআইডিএস) মাধ্যমে ধরা পড়েছে।

বন্দীর তথ্য-উপাত্ত যাচাইসহ (বায়োমেট্রিক ক্রস ম্যাচিং) নিবন্ধন করে রাখার জন্য দেশের সব কারাগারে পিআইডিএস স্থাপন করা হয়েছে। পিআইডিএস স্থাপনের কাজটি করেছে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি)।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পিআইডিএসে সব বন্দীর ব্যক্তিগত তথ্য, অপরাধের ধরন, অতীতের কর্মকাণ্ড, বন্দীকে কারাগারে দেখতে আসা ব্যক্তিদের তথ্য (ভিজিটর হিস্ট্রি) ইত্যাদি দেড় শতাধিক তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। এ ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর কারা কর্তৃপক্ষ জেল ডেটাবেজের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।

এনটিএমসির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান বলেন, পিআইডিএসের মতো তথ্যভান্ডার তৈরি করার ফলে কারাগারে প্রকৃত অপরাধী ও ভুয়া বন্দী শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে পিআইডিএসের মাধ্যমে দ্বৈত বা একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা বন্দীদেরও শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির ১০ আঙুলের ছাপ, আইরিশ স্ক্যান ও ছবি তোলার মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণের ফলে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গতিবিধি খেয়াল রাখা যাচ্ছে।

খবর পেতে সিলেটের আলাপ  লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন

সিলেট আলাপ// শাকিব

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © সিলেটের আলাপ ২৪
Theme Customized By Shakil IT Park