1. admin@sylheteralap24.com : admin :
  2. kolyrahmankhan@gmail.com : editor : Jillur khan
  3. shakilpress2020@gmail.com : Shakil Ahmed : Shakil Ahmed
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি নেতাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন এমপি এমরান আহমদ জৈন্তাপুরে বাসের সাথে সংঘর্ষে প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর সিলেটে মশাল মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের ৩ নেতা আটক বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের নবনির্বাচিত কমিটিকে অনলাইন সংবর্ধনা গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির কমিটি গঠন : সভাপতি দেলোয়ার, সম্পাদক ফাহাদ গোলাপগঞ্জে ২ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ইয়াবা উদ্ধার ৮ বছর পর ওসমানী বিমান বন্দরে নামল বিদেশি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সরাইলে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, র‌্যাব ধরল শাওনকে সিলেটে ২৫৪ পিস ভারতীয় কম্বলসহ আটক ২

নিরাপত্তাকর্মী থেকে বিসিএস ক্যাডার মোত্তালেব

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৪

সিলেট আলাপ ডেস্ক :স্বপ্ন, উদ্যম ও পরিশ্রম থাকলে জীবনে কোনো কিছুই সফলতার পথ আটকাতে পারে না। জীবনে অনেক সংগ্রাম করে নিজের পড়াশুনা চালিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী এম এ মোত্তালিব মিহির। টিউশনি, প্রুফ রিডার এমনকি নিরাপত্তা কর্মীর চাকরি করেও পড়ালেখার খরচ চালিয়েছেন তিনি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোত্তালেব মিহির। ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় তিনি শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ পেয়েছেন।

বগুড়ার বর্গাচাষির সন্তান হয়ে ছোটবেলা থেকেই তাকে দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়তে হয়েছে। দারিদ্র্যের কারণে মাঝপথে তার পড়াশোনাও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু মোত্তালেব দমে যাননি। আর্থিক সংকটে পড়ে নানামুখী অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে জীবন যুদ্ধে লড়াই করেছেন মোত্তালেব। কখনো বাসাবাড়িতে নিরাপত্তাকর্মীর কাজ, কখনো প্রুফ রিডার ও টিউশনি করে নিজের লেখাপড়ার খরচ চালিয়েছেন। সেই সঙ্গে এগিয়ে গেছেন প্রতিজ্ঞ স্বপ্নের পথে। তার সেই পরিশ্রমই এখন যেন সফলতার সিঁড়িতে পৌঁছে দিয়েছে।

বগুড়ার শিবগঞ্জের মহাবুল ইসলাম ও জামিলা বিবির সন্তান এমএ মোত্তালেব মিহির। তিনি সাধারণ জ্ঞান জগতের বিশ্বস্ত বই প্রকাশনী মিহির’স রিসার্চ ও পাবলিকেশনের প্রতিষ্ঠাতা। মোত্তালেব জানিয়েছেন, মায়ের অনুপ্রেরণায় তিনি সাফল্যের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। বিসিএস পর্যন্ত তার আসার পথটা কখনোই মসৃণ ছিল না।

গ্রামের স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করে যখন তিনি কলেজে ভর্তি হন, তখন তার পরিবারকে পড়তে হয় আর্থিক টানাপোড়নে। তাই কলেজের পড়াশোনাও তার কিছুদিন বন্ধ ছিল। তাই তাকে বাধ্য হয়ে স্থানীয় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে নিরাপত্তাকর্মীর চাকরিও নিতে হয়েছিল।

মোত্তালেব বলেন, বেসরকারি কোম্পানিতে সিকিউরিটি ম্যানের চাকরি করতাম। ডিউটি ছিল ১৬ ঘণ্টা। জীবনের কঠিন সময় তখনই কেটেছে। তখন বসে থেকে সময় কাটত না, তাই মাঝে মাঝে বই পড়তাম। একদিন ছুটি নিয়ে আমার এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করি। সে ঢাকায় এসেছে কোচিং করে অ্যাডমিশন দেবে। তার কাছেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সম্পর্কে জানি। পড়াশোনার উদ্দীপনা আবারও জাগে। সিকিউরিটি চাকরির বেতন থেকে কিছু টাকা জমিয়ে ভর্তি হয়ে যাই একটি কোচিংয়ে। অবশেষে চান্স পাই ৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ভর্তি হই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মোত্তালেব বলেন, বিসিএস ক্যাডার হওয়া যতটা না কষ্টের তার থেকে বেশি কষ্টসাধ্য কাজ হচ্ছে লেগে থাকা। তাই, ধৈর্য ধরে শেষ পর্যন্ত লেগে থাকলে একদিন সফলতা আসবেই।

খবর পেতে সিলেটের আলাপ  লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন

সিলেট আলাপ// রুমন

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © সিলেটের আলাপ ২৪
Theme Customized By Shakil IT Park