1. admin@sylheteralap24.com : admin :
  2. kolyrahmankhan@gmail.com : editor : Jillur khan
  3. shakilpress2020@gmail.com : Shakil Ahmed : Shakil Ahmed
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি নেতাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন এমপি এমরান আহমদ জৈন্তাপুরে বাসের সাথে সংঘর্ষে প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর সিলেটে মশাল মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের ৩ নেতা আটক বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের নবনির্বাচিত কমিটিকে অনলাইন সংবর্ধনা গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির কমিটি গঠন : সভাপতি দেলোয়ার, সম্পাদক ফাহাদ গোলাপগঞ্জে ২ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ইয়াবা উদ্ধার ৮ বছর পর ওসমানী বিমান বন্দরে নামল বিদেশি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সরাইলে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, র‌্যাব ধরল শাওনকে সিলেটে ২৫৪ পিস ভারতীয় কম্বলসহ আটক ২

ভৈরবে হঠাৎ মৃত্যুর হানা

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৩

সিলেট আলাপ ডেস্ক :কিশোরগঞ্জের ভৈরবে দুই ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। গতকাল বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে আন্তঃনগর এগার সিন্দুর এক্সপ্রেস ও একটি মালবাহী ট্রেনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১৭ জনের লাশ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে। তবে প্রত্যক্ষদর্শী ও উদ্ধার সংশ্লিষ্টরা অন্তত ২৪ জনের লাশ উদ্ধারের তথ্য জানান। দুর্ঘটনার পর ঢাকার সঙ্গে সিলেট ও চট্টগ্রামের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, র‌্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কিশোরগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা এগারো সিন্দুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ভৈরববাজার স্টেশন ছাড়ার পর পরই ঢাকা থেকে আসা একটি মালবাহী ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে।

মালবাহী ট্রেনটি এগারো সিন্দুর ট্রেনের পেছনের দুটি বগিতে আঘাত করলে তা দুমড়ে- মুচড়ে যায়। এতে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান সবুজ রাত পৌনে ৯টায়  বলেন, ১৭ জনের লাশ নথিভুক্ত হয়েছে। আহতের সংখ্যা জানা যায়নি। তবে তা শতাধিক। তিনটি বগি লাইনের উপর বিধ্বস্ত অবস্থায় আছে। বগিগুলো সরানোর পর জানা যাবে আরও লাশ রয়েছে কিনা?
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার পর অনেককে রেললাইনে পড়ে কাতরাতে দেখা গেছে। খণ্ডিত দেহও পড়ে থাকতে দেখা যায় রেললাইনের এদিক-ওদিকে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান- ঢাকা থেকে আসা পার্সেল ট্রেনের ইঞ্জিন এগার সিন্দুর ট্রেনের বগিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এরপরই মানুষের চিৎকার শুরু হয়। ট্রেন দুটি কীভাবে এক লাইনে চলে আসলো সেটি স্থানীয়দের প্রশ্ন।

এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ট্রেন যাত্রীদের স্বজনরা ছুটে আসেন ঘটনাস্থলে। তাদের একজন ইউসুফ জানান, তার দু’মামাতো ভাই ট্রেনে করে ঢাকা যাচ্ছিলেন। এরমধ্যে একজনকে আহত অবস্থায় পাওয়া গেছে। অন্যজনের সন্ধান পাননি।

ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেটের রেল যোগাযোগ বন্ধ রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুর্ঘটনাকবলিত এগারো সিন্দুরে উদ্ধার কাজ শুরু হয়নি। এদিকে দুর্ঘটনার পর থেকে ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেটের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। দুর্ঘটনার কারণে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার ইমামবাড়ি রেলস্টেশন, সিলেট থেকে ঢাকাগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাঘাচং এবং চট্টগ্রাম থেকে আসা ঢাকাগামী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে আটকা পড়ে। এতে দুর্ভোগে পড়েন ট্রেনের হাজারো যাত্রী।

যেভাবে ঘটে দুর্ঘটনাটি: ভৈরব রেলস্টেশন থেকে ঢাকা অভিমুখে এগার সিন্দুর এক্সপ্রেস গোধূলি ট্রেনটি ছাড়ার পর স্টেশনের আউটার এলাকা অতিক্রম করছিল। অন্যদিকে আরেকটি লাইন দিয়ে বিপরীত দিক থেকে একটি কন্টেইনার ট্রেন ভৈরব স্টেশনে প্রবেশ করছিল। তখনো এগার সিন্দুর এক্সপ্রেস ট্রেনটির কয়েকটি বগি লাইন পরিবর্তনের পয়েন্ট অতিক্রমের বাকি ছিল। মুহূর্তের মধ্যে দ্রুতগতিতে পয়েন্টে ঢুকে পড়ে কন্টেইনার ট্রেনটি। এগার সিন্দুর এক্সপ্রেস ট্রেনের শেষের তিন নম্বর বগিতে কন্টেইনার ট্রেনের ধাক্কায় কেঁপে ওঠে পুরো ট্রেনটি। পয়েন্ট অতিক্রমের বাকি থাকা অন্য দুটি বগি তখন ট্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছড়ে পড়ে বেশ দূরে। দুমড়ে-মুচড়ে যায় বগি দুটি। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনার পর বগি দুটির যাত্রীদের চিৎকারে ছুটে যান স্থানীয়রা।

উদ্ধার তৎপরতা: ট্রেন দুর্ঘটনার খবর পেয়ে প্রাথমিকভাবে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। পরে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় র‌্যাব ও বিজিবি। ঘটনাস্থলে ছুটে যান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ পিপিএম (বার), সিভিল সার্জন ডা. সাইফুল ইসলাম এবং প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা। তিন প্লাটুন বিজিবি সদস্য, ফায়ার সার্ভিসের ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদী ও কিশোরগঞ্জের ১৩টি ইউনিট, র‌্যাব, রেলওয়ে পুলিশ এবং বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য উদ্ধার তৎপরতায় যুক্ত রয়েছেন।

দুর্ঘটনার ব্যাপারে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ পিপিএম (বার) বলেন, ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন আছে। পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব, রেলওয়ে পুলিশ, আনসার সদস্যরা উদ্ধার কাজে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। নিহত যাত্রীদের যাদের নাম-পরিচয় পাওয়া গেছে, তাদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

দুর্ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছেন। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভৈরবের ৩৯টি ক্লিনিক ও সরকারি হাসপাতাল সবগুলোকে আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলেও চিকিৎসক ও নার্সরা চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন। এ ঘটনায় রেলপথ মন্ত্রণালয়, রেলওয়ে হেডকোয়ার্টার ও আঞ্চলিক রেলওয়ের পক্ষ থেকে একটি করে ৩টি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ওদিকে যাত্রীবাহী ট্রেনের পেছন দিকে ধাক্কা দেয়া মালবাহী ট্রেনের লোকোমাস্টার, সহকারী লোকোমাস্টার ও গার্ডকে বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

গতকাল বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক কামরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্তের পর তারা এই ব্যবস্থা নিয়েছেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনা তদন্তে বাংলাদেশ রেলওয়ে দুটি পৃথক কমিটি গঠন করেছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় ৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটির নেতৃত্ব দেবেন ঢাকা বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা খায়রুল কবির। কমিটিকে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রামে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলীয় কার্যালয় পূর্বাঞ্চলের চিফ অপারেটিং সুপারিন্টেনডেন্ট শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

ঢাকায় ডাব বিক্রি করেন স্বপন মিয়া আর সুজন মিয়া। পরিবার নিয়ে ঢাকাতেই থাকেন। ভাইপোর বিয়েতে এসেছিলেন ময়মনসিংহের নান্দাইলে। গত বুধবার বাড়ি আসেন তারা। বিয়ে ছিল শুক্রবার। সেই বিয়েতে যোগ দিয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন দুই ভাই। নান্দাইল থেকে কিশোরগঞ্জ এসে ওঠেন ঢাকাগামী এগারোসিন্দুর ট্রেনে। এরমধ্যে স্বপন মিয়া তার স্ত্রী, ৩ ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে ট্রেনের সামনের দিকের কামড়ায় ওঠেন। আর মিজান ছিলেন পেছনের দিকে। ভৈরবের দুর্ঘটনায় মারা গেছেন সুজন মিয়া (৩৫) তার স্ত্রী ফাতেমা (৩৫), ছেলে সজীব (১৪) ও ইসমাইল (১০)।

ভৈরবে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া যাত্রী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মুখে জানা গেছে কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটে এবং কেমন ছিল এর ভয়াবহতা। এগারসিন্দুর এক্সপ্রেসের যাত্রী কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের গাইটাল শিক্ষকপল্লী এলাকার আতিকুর রহমান সেলিম বলেন, আমি ‘ঙ’ বগিতে ছিলাম। ভৈরব স্টেশন ছাড়ার সময় হঠাৎ বিকট আওয়াজ হয়। আমরা বড় ধরনের ঝাঁকুনি খাই। ট্রেন থেকে নেমে দেখি, আমাদের ট্রেনের শেষের দুইটা বগি উল্টে গেছে। শেষ থেকে তিন নম্বর বগিটি দুমড়ে মুচড়ে গেছে। এসব বগি থেকে মানুষের আর্তচিৎকারের শব্দ কানে আসছিল। ট্রেনটিতে থাকা যাত্রীদের প্রায় সবাই কম-বেশি আহত হয়েছেন।

এগারসিন্দুর এক্সপ্রেসের যাত্রী কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের বত্রিশ এলাকার ফয়সাল মোল্লা বলেন, বড় ধরনের ঝাঁকুনি খেয়ে ট্রেনটি যখন থামে, তখন সবাই আতঙ্কে দৌড়াদৌড়ি করে ট্রেন থেকে নামার চেষ্টা করে। আমিও কোনো রকমে ট্রেন থেকে নামি। নিচে নেমে, কাউকে হাত ভাঙা, কাউকে রক্তাক্ত আবার কাউকে পা ভাঙা অবস্থায় কান্নাকাটি করতে দেখি। চারপাশে তখন কেবল মানুষের আর্তচিৎকারের শব্দ।

মো. দিদার নামের একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আমার ধারণা বহু মানুষ মারা গেছে। চাপা পড়ে আছে। তিনি বলেন, সারা জীবন দেখলাম এগারো সিন্দুরকে এক লাইনে দেয় আজ দিলো অন্য লাইনে। প্রথমে স্থানীয় লোকরা এগিয়ে না আসলে আরও অনেক লোক মারা যেত। তিনি বলেন, আমরা এসে দেখি গাড়ি ছিন্নভিন্ন। মানুষ পড়ে আছে। আমরা অসুস্থদের উদ্ধার করে নিয়ে যাই।
মো. হোসাইন নামের আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আমি এসে দেখি কয়েকজনের হাত নাই, পা নাই। এরপর আমরা তাদের রিকশায় করে হাসপাতালে পাঠাই।

ভৈরবে ট্রেন দুর্ঘটনাস্থলের পাশেই বাড়ি বাপ্পি আহমেদের। তিনি জানান, বিকট শব্দ পেয়ে আমি রেলস্টেশনে আসি। দেখি মালবাহী ট্রেনের সঙ্গে যাত্রীবাহী ট্রেনের সংঘর্ষ। লোকজনের আহাজারি, চিৎকার। বিভিন্ন স্থানে ছিটকে পড়ে আছে মানুষের মরদেহ। আমরা স্থানীয় লোকজন উদ্ধারে নেমে পড়ি। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন উদ্ধার কাজে আসে। এদিকে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত স্বজনদের খুঁজে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন পরিবারের লোকজন ও আত্মীয়স্বজনরা। তাদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠে আশপাশের পরিবেশ।

ভাইয়ের খোঁজ নিতে আসা ভৈরব আগানগর এলাকার বাসিন্দা আকরাম হোসেন বলেন, আমার বড় ভাই বিদেশ যাবে বলে ট্রেনে করে ঢাকায় যাচ্ছিল। হঠাৎ শুনি ট্রেন দুর্ঘটনা। এরপর থেকে মোবাইল ফোন বন্ধ পাচ্ছি। কোথাও তার সন্ধান পাচ্ছি না।

নানীর খোঁজ নিতে আসা মো. সফিকুল হোসেন বলেন, আমার নানী ঢাকায় পরিবার নিয়ে থাকে। আমাদের বাড়িতে কয়েকদিন আগে বেড়াতে এসেছিলেন। আজকে ট্রেনে করে ঢাকা যাওয়ার জন্য এগারসিন্ধু ট্রেনে রওনা দেন। স্টেশন অতিক্রম করার পর শুনি দুই ট্রেনের সংঘর্ষ। এখন আমার নানীর সন্ধান পাচ্ছি না।

ভৈরব রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের সদস্য নাজমুল হক বলেন, আমরা ঘটনার পর থেকে আহত ও নিহতদের হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছি। গুরুতর আহতদের রক্তের ব্যবস্থা করছি। হাসপাতালে অনেকের চিকিৎসা চলছে।

খবর পেতে সিলেটের আলাপ  লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন

সিলেট আলাপ/ তানিয়া চৌ:

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © সিলেটের আলাপ ২৪
Theme Customized By Shakil IT Park