
সিলেট আলাপ ডেস্ক :শনিবার (৫ অক্টোবর) হামাসের রকেট হামলার পরের দিন রোববার ইসরায়েলের পাল্টা বিমান হামলার মধ্যে দিয়ে শুরু হয় হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ। সপ্তাহজুড়ে বিমান হামলার পর শনিবার (১৪ অক্টোবর) ফিলিস্তিনের বিভিন্ন জায়গায় স্থল অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। যুদ্ধে ইসরায়েলের ১ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি লোক নিহত হয়। সেই সঙ্গে ২ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলো চলমান এই যুদ্ধ নিয়ে পক্ষ ও বিপক্ষে ভাগ হয়ে গেছে। পশ্চিমা দেশগুলোর বেশিরভাগ ইসরায়েলের পক্ষ নিয়েছে। অন্যদিকে চলমান এই যুদ্ধে ভারত সহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি পরাশক্তি ও ক্ষমতাধর রাষ্ট্র ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়িয়েছে।
ফিলিস্তিনের পক্ষে শক্তিধর যেসব দেশ দাঁড়িয়েছে সে দেশগুলোর কথা জানা যাক-
ভারত
যুদ্ধের শুরুতেই ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে ভারত দুইটি বিবৃতি দেয় সেখানে ফিলিস্তিন শব্দটি অনুপস্থিত ছিল। ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে টুইট করে দেশটির পাশে থাকার কথা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার টেলিফোনে বেনজামিন নেতানিয়াহুকে মোদি বলেন, ভারত সন্ত্রাসীদের বিপক্ষে রয়েছে এবং সুদৃঢ়ভাবে ইসরায়েলের পক্ষে দাঁড়িয়েছে।
তবে ভারত সরকারের ইসরায়েলকে এমন দ্ব্যর্থহীন সমর্থনের কারণে সুধীসমাজ ও বিরোধী দলে সমালোচনার সূত্রপাত ঘটে। ফলে বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) ভারত তার বক্তব্যে কিছুটা পরিবর্তন আনে।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সম্পর্কে ভারত সচেতন উল্লেখ করে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী বলেন, ফিলিস্তিন- ইসরায়েল ইস্যুতে ভারতের নীতি অনেক পুরোনো। ভারত ইসরায়েলের পাশে রয়েছে। সেই সঙ্গে দেশটি নিরাপদ ও স্বীকৃত সীমানার মধ্যে ফিলিস্তিনিদের জন্য একটি সার্বভৌম, স্বাধীন ও কার্যকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে।
ঐতিহাসিকভাবে ফিলিস্তিনের সঙ্গে সম্পর্কে আবদ্ধ ভারত। ১৯৭৪ সালে ভারত প্রথম অ-আরব রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনকে ফিলিস্তিনিদের বৈধ প্রতিনিধি হিসেবে এবং ১৯৮৮ সালে পূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ২০১৬ সালে সুষমা স্বরাজ পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন দুই দেশ দেশের উষ্ণ সম্পর্ক ছিল। ২০১৭ সালে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আব্বাস ভারত সফরে আসেন। ২০১৮ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও সে সফরের জবাবে ফিলিস্তিন ভ্রমণ করেন এবং শান্তিময় পরিবেশে স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ১৯৭৭ সালে ভারতের প্রয়াত ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী এবং বিজেপির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের একজন অটল বিহারি বাজপাই বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের এ সংকট নিরসনে ইসরায়েলকে অবশ্যই ফিলিস্তিনি ভূমি ছেড়ে দিতে হবে যা তার অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে।
সম্প্রতি ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকটে তার বক্তব্যের ভিডিওটি নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
চীন
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের মূল কারণ ফিলিস্তিনের প্রতি ঐতিহাসিক অবিচার। ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতের মূলে রয়েছে ফিলিস্তিনের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়নে দীর্ঘ বিলম্ব। ঐতিহাসিক এ অবিচারের কারণে ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগে ফেলা কোনোভাবেই সঠিক ছিল না।
চীনের এমন মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় তেল আবিব। বেইজিংয়ে নিযুক্ত ইসরায়েলের দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইউভাল ওয়াকস বলেন, তারা চীন থেকে হামাসের এ হামলার বিষয়ে কঠোর নিন্দার আশা করেছিল। কেননা চীনকে নিজেদের বন্ধু হিসেবে দেখে ইসরায়েল।
যুদ্ধ শুরুর পরপরই বেইজিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকটের কথা উঠে আসে। এ সময় চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অবিলম্বে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য দুপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। তবে তিনি স্পষ্ট ভাষায় এও বলেছেন, দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধান অর্থাৎ ফিলিস্তিনিদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই এ চলমান সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার উপায়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জরুরিভিত্তিতে কাজ করতে হবে। এ লক্ষ্যে চীন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
ইরান
যুদ্ধের শুরুতেই ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের অভিবাদন জানায় ইরান। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির এক উপদেষ্টা শনিবার ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের বিগত বছরগুলোতে সবচেয়ে বড় হামলা করায় অভিবাদন জানান। রাহিম সাফাভি নামের ওই উপদেষ্টা বলেন, আমরা ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের স্বাগত জানাই। যতক্ষণ পর্যন্ত ফিলিস্তিন ও জেরুজালেমের স্বাধীনতা অর্জন হচ্ছে না, আমরা ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের পাশে থাকতে চাই।
এ ছাড়াও সংবাদমাধ্যম ইরনার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ ও অর্জনকে স্বাগত জানিয়ে শনিবার ইরানের রাজধানী তেহরানের পাশাপাশি মাশহাদ, তাব্রিজ ও জাঞ্জান শহরের সড়কে নেমে হাজার হাজার মানুষ সমাবেশ করেছেন।
রাশিয়া
বুধবার (১১ অক্টোবর) হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে বেসামরিক লোকজন ‘হতাহতের সংখ্যা কমিয়ে শূন্যতে নামিয়ে আনতে’ উভয় পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়িছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পরে শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও একইভাবে শান্তি ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান। এছাড়া শুক্রবার জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার দূতের পক্ষ থেকেও যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়। এ ছাড়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে ফিলিস্তিনের পক্ষ নিয়েছে রাশিয়া। এতে হামাসের বিরুদ্ধে কোনো নিন্দা প্রস্তাব পাস করতে পারেনি সংস্থাটি।
এদিকে ভ্লাদিমির পুতিন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানির সাথে বৈঠকে বলেন, ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সহিংসতার যে বিস্ফোরণ দেখা যাচ্ছে তা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নীতির ব্যর্থতার উদাহরণ। যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিনিদের স্বার্থকে অর্থাৎ স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তাকে উপেক্ষা করছে।
তুরস্ক
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ও ভৌগোলিকভাবে একীভূত ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আল-আকসা মসজিদের বিরুদ্ধে যে কোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক।’ চলমান ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত বন্ধ করতে, ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা কমাতে তুরস্ক তার ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত। এর আগে শনিবার ক্রমবর্ধমান সহিংসতার বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে ইসরাইল এবং ফিলিস্তিনকে সংযমের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে তুরস্ক।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে যুদ্ধের বিষয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন তুরস্ক। এ অঞ্চলে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে এরদোয়ান চলমান সংকট নিয়ে তিনি কাতারের শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল-থানি, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল-ফুরহান আল-সৌদ, মিসরের সামেহ শউকরি, ফিলিস্তিনির রিয়াদ আল-মালিকি এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ানের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এরদোয়ান বলেছেন, বিশ্ব অব্যাহত সংঘাত ও ট্র্যাজেডি সহ্য না করলেও সাম্প্রতিক ঘটনায় মানবসমাজ ভালো নজির স্থাপন করেনি। ফিলিস্তিন ইস্যু হলো সমগ্র বিশ্ব, বৈশ্বিক শাসন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মর্যাদার ইস্যু। এই ইস্যুতে বিশ্বের সব প্রতিষ্ঠানের দায় রয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তার কোনো প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারেনি। জাতিসংঘ ও অন্যান্য সংস্থা ফিলিস্তিনি জনগণকে একা ছেড়ে দিয়েছে। তারা ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে।
সৌদি আরব
ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যকার উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করেছেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান। এ সময় ফিলিস্তিনের বেসামরিক নিরস্ত্র মানুষের ওপর ইসরায়েল যেন কোনো হামলা না চালায় তার ওপর জোর দেন তিনি। গতকাল শনিবার সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছে। খবর আরব নিউজ।
শনিবার (১৪ অক্টোবর) ইসরায়েলে হামাসের হামলার পরপর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এবং ইইউ পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেলের সঙ্গে পৃথকভাবে ফোনালাপ করেছেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য এবং সহিংতা এড়ানোর জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে চেষ্টা চালাতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ছাড়াও কাতার, মিসর ও জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গেও আলাপ করেছেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ফিলিস্তিনের গাজাভিত্তিক স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর চলমান যুদ্ধ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। সালমান চলমান অবস্থার প্রেক্ষাপটে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে ফোন করেছেন। ক্রাউন প্রিন্সের অফিসে থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চলমান সংঘর্ষে সৌদি ফিলিস্তিনিদের পাশে থাকবেন বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদ বিন সালমান। এই ফোনে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বলেন, ‘চলমান উত্তেজনা প্রশমনে সকল আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পক্ষগুলোকে সম্পৃক্ত করার জন্য সম্ভব সকল প্রয়াস চালাচ্ছে’ সৌদি আরব।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়- তিনি বলেছেন, সৌদি আরব ‘ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য অধিকার অর্জন, সম্মানজনক জীবন লাভের সংগ্রামে, তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে এবং ন্যায়সংগত ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় ফিলিস্তিনি জনগণের পাশে থাকবে।’
নতুন খবর হচ্ছে, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গত কয়েক বছরের অন্যতম আলোচিত বিষয় ছিল যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরবের শান্তিচুক্তির সম্ভাবনা। অবশেষে ইসরায়েল ও হামাসের যুদ্ধের জেরে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ স্থগিত করেছে সৌদি আরব।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের আলোচনা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব। বিষয়টি তারা মার্কিন কর্মকর্তাদের অবহিত করেছে। বর্তমানে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনও রিয়াদ সফর করছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তেলআবিবের সঙ্গে শান্তিচুক্তির বিনিময়ে সৌদির নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বড় আকারের নিশ্চয়তা চান। এমনকি এ কারণে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার দাবিও ছাড় দিতে নারাজ তিনি।
উত্তর কোরিয়া
হামাস ও ইসরায়েল যুদ্ধে ফিলিস্তিনের পক্ষে নিজেদের অবস্থানের কথা আগেই জানিয়েছে বিশ্বের দুই পরাশক্তি চীন ও রাশিয়া। এবার তাদের সঙ্গে যোগ দিল পরমাণু শক্তিধর আরেক দেশ উত্তর কোরিয়া। দেশটি বলছে, গাজায় রক্তক্ষয়ী সংঘাতের জন্য ইসরায়েল দায়ী। স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই দীর্ঘদিনের এই সংঘাত সমাধানের প্রধান পথ। মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এর আগে চীন রাশিয়া উভয়ই দ্বিরাষ্ট্র ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে বিবৃতি দেয়। এছাড়া পাকিস্তান, কাতার, মালয়েশিয়া, বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের পক্ষে তাদের অবস্থান প্রকাশ করেছে।
খবর পেতে সিলেটের আলাপ লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন
সিলেট আলাপ/ তাওহিদ
