1. admin@sylheteralap24.com : admin :
  2. kolyrahmankhan@gmail.com : editor : Jillur khan
  3. shakilpress2020@gmail.com : Shakil Ahmed : Shakil Ahmed
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি নেতাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন এমপি এমরান আহমদ জৈন্তাপুরে বাসের সাথে সংঘর্ষে প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর সিলেটে মশাল মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের ৩ নেতা আটক বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের নবনির্বাচিত কমিটিকে অনলাইন সংবর্ধনা গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির কমিটি গঠন : সভাপতি দেলোয়ার, সম্পাদক ফাহাদ গোলাপগঞ্জে ২ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ইয়াবা উদ্ধার ৮ বছর পর ওসমানী বিমান বন্দরে নামল বিদেশি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সরাইলে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, র‌্যাব ধরল শাওনকে সিলেটে ২৫৪ পিস ভারতীয় কম্বলসহ আটক ২

মায়ের অনুপ্রেরণায় বিসিএস ক্যাডার সাঈমা

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৩

সিলেট আলাপ ডেস্ক :সম্প্রতি প্রকাশিত বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) ৪১তম ব্যাচে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অর্থনীতি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী সাঈমা আক্তার সুরমা। এতে প্রথম বিসিএসেই ক্যাডার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন তিনি।

বিসিএস ক্যাডার হওয়ার অনুভূতি ও পেছনের গল্প সম্পর্কে জানতে এ মেধাবী শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে সিলেটটুডে।

প্রথম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার অনুভূতি জানিয়ে তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ রহমত এবং আমার বাবা-মা ও মেন্টর হাসবেন্ড এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাদের সহযোগিতার ফলে অনেক কঠিন কাজ সহজ হয়ে গিয়েছে। ফলে দীর্ঘ এ যাত্রা সংক্ষেপে শেষ করতে পেরেছি।

বিসিএস ক্যাডার স্বামীর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার স্বামী বিসিএস পথের পথিক হলেও আমি ছিলাম তার উল্টো। করোনা মহামারির সময় আমাদের টোনাটুনির সংসার শুরু হয়। তিনি ৩৮তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে যোগদান করার পর থেকে আমার ক্যারিয়ারের গতি পথ পরিবর্তন হয়ে যায়। সে থেকে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্নের দিকে ছুটার সিদ্ধান্ত নিই। তবে পরিবার ও শ্বশুর বাড়ির পূর্ণ সমর্থনই ছিল আমার মূল শক্তি। তখন ৪১তম বিসিএস দিয়েই আমার যাত্রা শুরু হয়।

প্রস্তুতি শুরুর কথা জানিয়ে তিনি বলেন, করোনাকালীন সময় থেকে বিসিএসের পড়াশোনা শুরু করেছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরুতে বিসিএসের প্রতি কোনো ইচ্ছে ছিল না। তবে নিজের একাডেমিক সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানে ক্যারিয়ার গড়ার সুপ্ত বাসনা ছিল। এক সময় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর দুইটা শেষ হয়ে যায়। তবে দুই পরীক্ষাতেই আমার আশানুরূপ ফলাফল হয়। এরই মধ্যে আবার বসতে হয় বিয়ের পিঁড়িতে। পরে বিসিএসের দিকেই নিজেকে ধাবিত করি।
প্রথম চাকুরি পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে তিনি বলেন, বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার আগে অন্য কোথাও পরীক্ষা দেওয়া হয়নি। প্রথম কোনো প্রতিযোগিতামূলক চাকরির পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সফলতা পেয়েছি, এই অনুভূতিটা আসলে অন্যরকম।

বিসিএস প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি বলেন, যখন প্রিলি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হই, তখন থেকে নিজের মধ্যে একটা আত্মবিশ্বাস কাজ করা শুরু করে। এরপর আমার স্বামীর দিক-নির্দেশনায় আমরা ৭-৮ জন মিলে লিখিত পরীক্ষা জন্য একটা গ্রুপ খুলি। সেখানে ছোট ছোট সিলেবাস করে, সপ্তাহে ২-৩টা পরীক্ষা দিতাম। এতে আমাদের লিখিত প্রস্তুতি অনেক ভালো হয়। এরপর একইভাবে শুরু হয় ভাইভার প্রস্তুতিও।

পরিবারের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শৈশবকাল থেকেই আমার বাবা-মায়ের পূর্ণ সহযোগিতা ছিল। সেজন্য ছোটকাল থেকেই নিজের মধ্যে একটা আত্মবিশ্বাস ছিল। মূলত তাদের সহযোগিতা ও সাহসের ফলেই আমি ক্যাডার হতে পেরেছি। এক্ষেত্রে আমার মায়ের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজদের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, বিসিএস একটা দীর্ঘ প্রক্রিয়া, এতে অনেক বেশি ধৈর্য ও সাধনার প্রয়োজন। তাই ধৈর্য্য, শ্রম আর প্রচেষ্টা থাকলে যে কোন বাঁধাই টপকানো যায়। পরিশেষ দেশ এবং দেশের শিক্ষায় অবদান রাখায় প্রত্যয় ব্যক্তয় করেন এ মেধাবী শিক্ষার্থী।

প্রসঙ্গত, সাঈমা আক্তার সুরমা হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার মজলিশপুরে গ্রামের কৃতি শিক্ষার্থী।

 

খবর পেতে সিলেটের আলাপ  লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন

সিলেট আলাপ/ আবির

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © সিলেটের আলাপ ২৪
Theme Customized By Shakil IT Park