
সিলেট আলাপ ডেস্ক :সিলেটের ইলমি অঙ্গনের পরিচিত প্রতিষ্ঠান মাদরাসাতুল মদীনা সিলেট’র আল ইতকান ছাত্র সংসদের উদ্যোগে মাওলানা জহুরুল হক রহ. সংকলিত সদ্য প্রকাশিত ‘আল আমালী আলা সুনানি আবী দাউদ’ গ্রন্তের পাঠ উম্মোচন ও আল্লামা আনওয়ার শাহ কাশমিরি রহ জীবন ও কর্ম শীর্ষক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পর্যন্ত নগরীর দরগা গেইটস্থ শহীদ সুলেমান হলে অনুষ্ঠিত এই কনফারেন্সে সভাপতিত্ব করেন শায়খুল হাদিস আউলিয়া হোসাইন, শায়খ জাওয়াদুর রহমান, শায়খ মুহিউল ইসলাম বুরহান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুফাক্কিরে ইসলাম শায়খ জিয়া উদ্দিন দা.বা।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসিবে ছিলেন শায়খুল হাদিস আহমদ আলি চিল্লার হুজুর, শায়খুল হাদিস মুফতি খায়রুল ইসলাম বড়লেখি।
মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন শায়খুল হাদিস নুরুল ইসলাম খান, শায়খুল হাদিস মুফতি মুজিবুর রহমান, মাওলানা আতাউল হক জালালাবাদি, মাওলানা আশিকুল ইসলাম, মাওলানা শরিফ মুহাম্মদ সাহেব, শাহ নজরুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা ফখরুযযামান, কারী শহিদ আহমদ, মাওলানা হাবিব আহমদ শিহাব, মাওলানা মাহফুয আহমদ, সৈয়দ মাহমুদুল হাসান, আবু মুহাম্মদ ইয়াহিয়া, আব্দুল কাদির , মাসুম.মাওলানা আবুল বাশার, মাওলানা সদরুল আমিন, হাফেজ মাওলানা আব্দুস সামাদ।
মাওলানা হোসাইন আহমদ চৌধুরী ও মাওলানা সালিম উদ্দিনের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মুফতি বাহরুল আমিন।
উল্লেখ্য, আল্লামা আনওয়ার শাহ কাশ্মিরী রহ. ২৭ শাওয়াল ১২৯২ হিজরিতে (১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দ) একটি সৈয়দ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। চার বছর বয়সে তিনি তার পিতা মোয়াজ্জেম আলী শাহের নির্দেশে কুরআন অধ্যয়ন শুরু করেন। ১৮৮৯ সালে তিনি দেওবন্দে ভর্তি হন এবং তিন বছর দারুল উলুম দেওবন্দে অধ্যয়ন করেন। তিনি ছিলেন ভারতের একজন মুসলিম পণ্ডিত। তার কর্মজীবনে তিনি দারুল উলুম দেওবন্দসহ বেশ কিছু খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষাদান করেছেন। দারুল উলুম দেওবন্দে তার সম্মানে একটি ফটকের নামকরণ করা হয়েছে। তিনি ইসলাম সম্পর্কে আরবি ও ফারসিতে বেশ কিছু বই লিখেছেন। তিনি ছিলেন মাদ্রাসা আমিনিয়া ইসলামিয়া আরাবিয়ার প্রথম অধ্যক্ষ। দারুল উলুম দেওবন্দে তিনি প্রায় ১২ বছর অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ফয়জুল বারী।
তিনি তার স্মৃতিশক্তির জন্য পরিচিত। তার পুত্রের ভাষ্যমতে তিনি কিছু সংক্ষিপ্তভাবে পড়লে তার স্মৃতিতে ৩০ বছরের জন্য জমা হয়ে যেত, আর যদি তিনি বিস্তারিত পড়তেন তবে তা সারাজীবন মনে থাকত।
তিনি মুসলমানদের দ্বীনের প্রকৃত আকীদায় ফিরে আসার বিষয়ে অধিক গুরুত্বরোপ দিতেন।
খবর পেতে সিলেটের আলাপ লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন
সিলেট আলাপ/ জাফর