1. admin@sylheteralap24.com : admin :
  2. kolyrahmankhan@gmail.com : editor : Jillur khan
  3. shakilpress2020@gmail.com : Shakil Ahmed : Shakil Ahmed
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি নেতাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন এমপি এমরান আহমদ জৈন্তাপুরে বাসের সাথে সংঘর্ষে প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর সিলেটে মশাল মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের ৩ নেতা আটক বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের নবনির্বাচিত কমিটিকে অনলাইন সংবর্ধনা গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির কমিটি গঠন : সভাপতি দেলোয়ার, সম্পাদক ফাহাদ গোলাপগঞ্জে ২ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ইয়াবা উদ্ধার ৮ বছর পর ওসমানী বিমান বন্দরে নামল বিদেশি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সরাইলে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, র‌্যাব ধরল শাওনকে সিলেটে ২৫৪ পিস ভারতীয় কম্বলসহ আটক ২

২ দশকে সর্বোচ্চ সংখ্যক নারীর পাকিস্তান যাত্রা

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫

সিলেট আলাপ ডেস্ক :বিগত বছরগুলোতে নারী শ্রমিকদের ওপর নানা রকম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনসহ বিভিন্ন কারণে নারী শ্রমিকরাও সৌদি আরবে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। তবে দুই দশকের মধ্যে চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক নারী শ্রমিক (৪০ জন) পাকিস্তানে গিয়েছেন। এ সময়ে হংকং, জাপান, ইতালি ও ব্রুনাইতেও নারী শ্রমিকরা নতুন গন্তব্য হিসেবে যাত্রা করেন।

বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী এসব তথ্য জানা যায়।

জানা যায়, সৌদি আরব থেকে যে সময়ের মধ্যে গৃহকর্মী চায় বাংলাদেশ থেকে সে সময়ে পাঠানো যাচ্ছে না। আবার দেশের নারী শ্রমিকদের ভাষাগত দক্ষতা বেশি ভালো নয়। তারা ভালো প্রশিক্ষণপ্রাপ্তও নয়। বিগত বছরগুলোতে নারী শ্রমিকদের ওপর নানারকম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনসহ বিভিন্ন কারণে নারী শ্রমিকরাও সৌদি আরবে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। ২০২৪ সালে দেশ থেকে মোট ১০ হাজার ৩৬১ জন নারী বিদেশে যান। এর আগের বছর ২০২৩-এ যান ৬১ হাজার ১৫৮ জন আর ২০২২-এ যান ১ লাখ ৫ হাজার ৪৬৬ জন। অর্থাৎ করোনার পর নারী শ্রমিকদের বিদেশ যাত্রার হার কমেছে। এর আগে ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে ১ লাখের ওপর প্রতিবছর নারী শ্রমিকরা বিদেশ যেতেন। ২০২০ এবং ২০২১ সালে তা কমে দাঁড়ায় যথাক্রমে ২১ হাজার ৯৩৪ জন এবং ৮০ হাজার ১৪৩ জন।

বিএমইটি-এর তথ্য বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে সৌদি আরবে যথাক্রমে ৪ হাজার ৬৩৯ এবং ৩ হাজার ৩৪১ জন নারী শ্রমিক যান। এর আগে ২০২২ সালে সৌদিতে যান ৭০ হাজার ২৭৯ জন নারী শ্রমিক। এর পরের বছর যান ৫০ হাজার ২৫৪ জন আর ২০২৪ সালে যান ৪০ হাজার ৩১৫ জন নারী শ্রমিক। এ সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোতেও নারী শ্রমিকের যাত্রা কমেছে। এর মধ্যে ২০২৩ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যান ২ হাজার নারী। এর পরের বছর যান ১ হাজার ৩৬ জন। কুয়েতে ২০২৩ সালে যান ১ হাজার ১৭৫ জন আর ২০২৪ সালে যান ৪১৩ জন। ওমানে ২০২৩ সালে যান ৬ হাজার ৫৪৭ জন আর ২০২৪ সালে যান ৫৬ জন। তবে কাতারে ২০২৩ সালে ১ হাজার ৯৫ জন নারী যান আর ২০২৪ সালে যান ২ হাজার ৩৩১ জন। জর্ডানেও নারী শ্রমিকের যাওয়ার হার কিছুটা বেড়েছে। যুক্তরাজ্যেও ২০২৩ সালে গিয়েছিলেন ১ হাজার ৪৮৩ জন আর ২০২৩ সালে ৫ হাজার ২৫৬ জন। তবে নতুন গন্তব্যের মধ্যে ইতালিতে গত বছর গিয়েছিলেন মাত্র ১২ জন। চলতি বছরের দুই মাসেই গিয়েছেন ৬০ জন। একইভাবে হংকং ও জাপানেও চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে নারী শ্রমিকের গমন ইতিবাচক। ২০০৪ সাল থেকে ২০২৪ সালে ২০ বছরের মধ্যে চলতি বছরে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক নারী পাকিস্তান গিয়েছেন। এর মধ্যে ২০১৫ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১০ বছর নারীরা দেশটিতে কাজের জন্য যাননি।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ (বায়রা)-এর সাবেক মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, হংকংয়ের সঙ্গে আমাদের এমইউ স্বাক্ষর আছে। সংখ্যায় কম হলেও যে নারী শ্রমিকরা হংকং যাচ্ছেন তারা শিক্ষিত এবং প্রশিক্ষিত। গৃহকর্মী হিসেবে বাংলাদেশের নারী শ্রমিকদের জন্য এক সময় বড় বাজার ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। আর সৌদি আরব সবসময় নারী শ্রমিকদের জন্য বড় বাজার ছিল। তবে সৌদিতে নারী শ্রমিকের সংখ্যা কমে যাওয়ার জন্য বেশ কিছু কারণ আছে। আমরা আশঙ্কা করছি, সৌদি আরবে আসছে দিনে বাংলাদেশ থেকে নারী শ্রমিকের যাওয়ার হার আরও কমে আসবে। অর্ডার পাওয়ার পর রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর প্রশিক্ষণ দিয়ে সৌদি পাঠাতে তিন মাস পর্যন্ত সময় লেগে যায়। কিন্তু এখন সৌদি আরব আরও কম সময়ে কর্মী পেতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে নারী শ্রমিক নিচ্ছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

খবর পেতে সিলেটের আলাপ  লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন

সিলেট আলাপ// আজম চৌ:

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © সিলেটের আলাপ ২৪
Theme Customized By Shakil IT Park