
গোলাপগঞ্জ সংবাদদাতা : গোলাপগঞ্জের ফুলবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবৃল হানিফ খান কর্তৃক সেবাপ্রত্যাশী কামরুজ্জামান মাসুদকে লাঞ্চিতের ঘটনার পর দায়ের করা মামলার আসামীরা একের পর এক হুমকি দিচ্ছে আসামীরা। একের পর এক হুমকির ফলে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন মামলার বাদী ও তার পরিবার। ভয়ে স্কুল ও মাদ্রাসায় আসা-যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে সন্তানরা। এ ঘটনার পর জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছে।
গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় দায়ের করা জিডিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৬জুলাই ফুলবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের দোকানের ট্রেড লাইসেন্স আনতে গিয়েছিলাম ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান মাসুদ। এসময় ট্রেড লাইসেন্সের অতিরিক্ত ফি দাবি করেন ইউনিয়নের সচিব। এনিয়ে তিনি প্রতিবাদ করলে তার উপর চড়াও হন তারা। ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হানিফ খান তাকে প্রাণে মারার উদ্যেঢ়্যে মারধরের পর একটি কক্ষে আটক করে রাখেন। এ ঘটনার পর ১৮জুলাই সিলেটের আদালতে নিজে বাদী হয়ে মামলা করেন তিনি।
আদালতে (সিআর মামলা নং ২৭৩/২৩) দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে মামলাটি গণ্য করে ২০ জুলাই এফআইআর হিসেবে গণ্য করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। মামলা নং ১৩/১৮১। মামলা দায়েরের পর মামলার প্রধান আসামী ফুলবাড়ূ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হানিফ খান ও অন্যান্য আসামীরা মামলার বাদীকে একের পর এক হুমকি দিচ্ছে।
উপরোক্ত হুমকির ফলে মামলার বাদী ও তার পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন। স্কুল ও মাদ্রাসায় আাসা-যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন তার দুই সন্তান। এ হুমকির পর জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মামলার বাদী ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান মাসুদ বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (৩আগষ্ট) থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) দায়ের করেচেন। জিডি নং ১৪২।
খবর পেতে সিলেটের আলাপ লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন
সিলেট আলাপ/ জুতি