1. admin@sylheteralap24.com : admin :
  2. kolyrahmankhan@gmail.com : editor : Jillur khan
  3. shakilpress2020@gmail.com : Shakil Ahmed : Shakil Ahmed
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি নেতাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন এমপি এমরান আহমদ জৈন্তাপুরে বাসের সাথে সংঘর্ষে প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর সিলেটে মশাল মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের ৩ নেতা আটক বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের নবনির্বাচিত কমিটিকে অনলাইন সংবর্ধনা গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির কমিটি গঠন : সভাপতি দেলোয়ার, সম্পাদক ফাহাদ গোলাপগঞ্জে ২ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ইয়াবা উদ্ধার ৮ বছর পর ওসমানী বিমান বন্দরে নামল বিদেশি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সরাইলে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, র‌্যাব ধরল শাওনকে সিলেটে ২৫৪ পিস ভারতীয় কম্বলসহ আটক ২

রাগ নিয়ন্ত্রণের যেসব আমল

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ জুন, ২০২৪

সিলেট আলাপ ডেস্ক :অনেকে বড় ঘটনা ঘটলেও রাগ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে, আবার কেউ অল্পতেই রেগে গিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনাও ঘটিয়ে ফেলে। রাগ নিয়ন্ত্রণ করা খুবই কঠিন একটি বিষয়।

রসুলুল্লাহ (সা.) রাগ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তার উম্মতের প্রতি জোর তাগিদ প্রদান করেছেন। তিনি বলেন, সেই ব্যক্তি শক্তিশালী নয় যে কুস্তি লড়ে অন্যকে ধরাশায়ী করে, বরং প্রকৃতপক্ষে সে ব্যক্তিই শক্তিশালী যে রাগের সময় নিজেকে সংবরণ করতে পারে (বুখারি)।

মানুষের রাগ থাকবে এটাই স্বাভাবিক। এ রাগ যখন সব কিছু ধ্বংসের মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায় তখনই একটি জীবন ধ্বংস হয়ে যায়। রাগের কারণে অন্যের ক্ষতি করা হয়। রাগ ও ঝগড়া থেমে গেলে বোঝা যায় কতটা ক্ষতি হয়ে গেছে।

রেগে যাওয়া মানেই হেরে যাওয়া। রাগ করে কেউ বড় কিংবা সুখী হতে পারেনি। ছোটখাটো বিষয় নিয়ে রাগ করা হয়, যে-কোনো বিষয় সহজ করে নিলেই তা সহজে মীমাংসা হয়ে যায়। আপনি যখন রাগান্বিত হবেন কিংবা আপনার সঙ্গে কেউ রাগান্বিত হবে তখন অবশ্যই আপনি চুপ থাকবেন। চুপ থাকার মাধ্যমে রাগ কমে যাবে এবং অতিরিক্ত ঝগড়া হবে না।

এ বিষয়ে মুসনাদে আহমদে উল্লেখ রয়েছে, রসুল (সা.) বলেছেন- তোমরা শিক্ষা দাও এবং সহজ কর, কঠিন কোরো না, যখন তুমি রাগান্বিত হও তখন চুপ থাক; যখন তুমি রাগান্বিত হও তখন চুপ থাক, যখন তুমি রাগান্বিত হও তখন চুপ থাক।

রাগ মানুষকে ক্ষতি করে, সংসারসহ ধ্বংস করে একটি জীবন। রাগ শয়তানের পক্ষ থেকে আসে। তাই রাগান্বিত অবস্থায় শয়তানের পক্ষ থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ চাইতে হবে। রাগ বা ঝগড়ার সময় আউজু বিল্লাহি মিনাশ শাইত্বানির রাজিম পড়ার মাধ্যমে শয়তান পালিয়ে যায়, ফলে রাগ ও ঝগড়া কমে যায়। এ ছাড়া অজুর মাধ্যমে রাগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। রসুল (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই রাগ শয়তানের পক্ষ থেকে। আর শয়তান আগুনের তৈরি। নিশ্চয়ই পানির দ্বারা আগুন নির্বাপিত হয়। সুতরাং তোমাদের কেউ যখন রাগান্বিত হয় সে যেন অজু করে (আবু দাউদ)।

যাদের মধ্যে অতিরিক্ত রাগ রয়েছে তা আজই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার ও হাসিমুখে কথা বলতে হবে। রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য অতিরিক্ত জিকির, দরুদ পাঠ, ইস্তিগফার, কোরআন তিলায়াতসহ নফল নামাজ আদায় করতে হবে।

নামাজ শেষে রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য দোয়া করা। রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য নিম্ন দোয়াটি পাঠ করা যেতে পারে- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আদলা ফিল গাদাবি ওয়ার রিদা। অর্থ হলো- হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে ক্রোধ ও সন্তুষ্টি উভয় অবস্থায়ই মধ্যমপন্থা কামনা করি।

খবর পেতে সিলেটের আলাপ  লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন

সিলেট আলাপ// মাহফুজ

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © সিলেটের আলাপ ২৪
Theme Customized By Shakil IT Park