1. admin@sylheteralap24.com : admin :
  2. kolyrahmankhan@gmail.com : editor : Jillur khan
  3. shakilpress2020@gmail.com : Shakil Ahmed : Shakil Ahmed
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি নেতাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন এমপি এমরান আহমদ জৈন্তাপুরে বাসের সাথে সংঘর্ষে প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর সিলেটে মশাল মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের ৩ নেতা আটক বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের নবনির্বাচিত কমিটিকে অনলাইন সংবর্ধনা গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির কমিটি গঠন : সভাপতি দেলোয়ার, সম্পাদক ফাহাদ গোলাপগঞ্জে ২ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ইয়াবা উদ্ধার ৮ বছর পর ওসমানী বিমান বন্দরে নামল বিদেশি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সরাইলে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, র‌্যাব ধরল শাওনকে সিলেটে ২৫৪ পিস ভারতীয় কম্বলসহ আটক ২

আগুনে পুড়েছে এইচএসসি পরীক্ষার্থী অঙ্কিতার স্ব প্ন

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৪

আলাপ ডেস্ক :চট্টগ্রাম নগরের ফিরিঙ্গি বাজারের গঙ্গা বাড়ি টেক পাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সবকিছু পুড়ে নিঃস্ব হয়ে গেছেন হরি কমল দাশের পরিবার। সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত।

মূহুর্তেই সবদিকে ছড়িয়ে পড়ে আগুন। সে আগুনে পুড়িয়ে ছাই হয়েছে আরও ২০টির অধিক ঘর।
হরি কমল দাশের মেয়ে অঙ্কিতা দাশ ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থী। আগুনে পুড়ে গেছে অঙ্কিতার শিক্ষা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সব কাগজ। পুড়েছে তার স্বপ্নও।

শুধু অঙ্কিতা দাশের বই পুড়েনি, পুড়েছে তার বড় বোন কুয়াশা দাশের জন্য কেনা বিয়ের গহনা। আগুনে ছাই হয়েছে বিয়ের জন্য জমানো টাকাও। আগুনের ভয়াবহতা থেকে বের করতে পারেননি কোনো কিছুই।

রাতে কোথায় থাকবেন সেটিও এখন অনিশ্চিত হরি কমল পরিবারের। এ আগুনে হরি কমলের পরিবার ছাড়াও পুড়েছে আরও অনেকের।

অঙ্কিতা এনায়েত বাজার মহিলা কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। ২০২৪ সালের জুনের শেষের দিকে তার এইচএসসি পরীক্ষা। অঙ্কিতার পরীক্ষার প্রস্তুতিও শেষের দিকে। এমন সময় অগ্নিকাণ্ডে তার সব বই পুড়ে গেছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, আগুনে পুড়ে যাওয়া বই বুকে বিলাপ করছেন অঙ্কিতা। তার পাশেই বাবা-মা, বোনও। বাড়ির লোহার আর কংক্রিটের পিলার ছাড়া বাকি সবকিছুই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দুপুরের রান্না করা ভাতের আধপোড়া বাটিও পড়ে আছে এক কোণায়। শুধু অঙ্কিতার পরিবার নয়, তার পাশের অন্তত পাঁচটি পরিবারের ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তাদেরও একই অবস্থা। সবকিছু হারিয়ে এখন নিঃস্ব তারা। খোলা আকাশের নিচেই এখন বসবাস এ পরিবারগুলোর।

অঙ্কিতা  বলেন, প্রথমে রান্না ঘরের পাশ দিয়ে ধোঁয়া দেখা যায়। পরে কোনো কিছু বুঝতে উঠতেই আগুনের ভয়াবহতা বেড়ে যায়। দৌড়ে ঘর থেকে বের হয়ে বাইরে আসতেই আগুন সবদিকে ছড়িয়ে পড়ে৷ শত চেষ্টা করেও আর ঘরের ভেতর ঢোকা যায়নি। সব পুড়ে গেছে।

অঙ্কিতার বাবা হরি কমল দাশ চাকরি করেন একটি কারখানায় চাকরি করেন। দুপুরের খাবার খেতে এসেছিলেন তিনি।

হরি কমল  বলেন, দুপুরের ভাত খাওয়ার সময় হঠাৎ দেখি রান্না ঘরের পাশ থেকে ধোঁয়া আসছে৷ দুপুরের রান্না হয়েছে কিন্তু ভাত খাওয়া হয়নি। এরই মধ্যে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমার বড় মেয়ের বিয়ের জন্য দুই ভরি গহনা কিনেছিলাম। সেগুলোও বের করতে পারিনি।

খবর পেতে সিলেটের আলাপ  লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন

সিলেট আলাপ// শাকিব

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © সিলেটের আলাপ ২৪
Theme Customized By Shakil IT Park