1. admin@sylheteralap24.com : admin :
  2. kolyrahmankhan@gmail.com : editor : Jillur khan
  3. shakilpress2020@gmail.com : Shakil Ahmed : Shakil Ahmed
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি নেতাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন এমপি এমরান আহমদ জৈন্তাপুরে বাসের সাথে সংঘর্ষে প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর সিলেটে মশাল মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের ৩ নেতা আটক বাংলাদেশ কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত গোলাপগঞ্জ উপজেলা এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের নবনির্বাচিত কমিটিকে অনলাইন সংবর্ধনা গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির কমিটি গঠন : সভাপতি দেলোয়ার, সম্পাদক ফাহাদ গোলাপগঞ্জে ২ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ইয়াবা উদ্ধার ৮ বছর পর ওসমানী বিমান বন্দরে নামল বিদেশি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সরাইলে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, র‌্যাব ধরল শাওনকে সিলেটে ২৫৪ পিস ভারতীয় কম্বলসহ আটক ২

টাকার অভাবে বাঁশের খাঁচায় বন্দি অমিত

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৩

সিলেটের আলাপ ডেস্ক :সপ্তাহে ওষুধের জন্য প্রয়োজন ২৫০০ টাকা। কিন্তু দরিদ্র মা-বাবার পক্ষে এই টাকা জোগাড় করা সম্ভব না। তাই মানসিক ভারসাম্যহীন ২৬ বছরের ছেলেকে বাঁশের খাঁচায় বন্দি করে রেখেছেন তারা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চককীর্তি ইউনিয়নের রানিবাড়ি-চাঁনপুর ঘোনটোলা গ্রামের হতদরিদ্র কৃষক মো. রইসুদ্দিন ও মোসা. পিয়ারা বেগমের ছেলে অমিত হাসান এই মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রইসুদ্দিন ও মোসা. পিয়ারা বেগমের চার ছেলের দুইজনই মানসিক ভারসাম্যহীন। এদের মধ্যে ছোট ছেলে মো. তামিমকে (১৭) বাইরে রাখলেও মেজ ছেলে অমিত হাসানকে (২৩) খাঁচাবন্দি করে রেখেছেন বাবা-মা।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে রইসুদ্দিন ও মোসা. পিয়ারা বেগম বলেন, জন্মের পর থেকেই এমন তারা দুই ভাই। কিন্তু বড়জন অমিত হাসান বাড়ির বাইরে গেলেই মানুষজনকে খামচে দেয়, মারধর করে। এজন্য তাকে বাঁশের খাঁচায় বন্দি করে রাখা হয়েছে।

তারা আরও বলেন, নিয়মিত ওষুধ সেবনে এমন অস্বাভাবিক আচরণ করে না অমিত। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমরা সপ্তাহে ২৫০০ টাকা কোথায় পাবো। তাই বাধ্য হয়েই খাঁচাবন্দি করে রাখতে হচ্ছে। তার থাকা, খাওয়া, ঘুম সবই বাঁশের খাঁচার মধ্যে।

টাকার অভাবে বাঁশের খাঁচায় বন্দি অমিতের জীবন

রইসুদ্দিন বলেন, আমার সংসার চলে গ্রামবাসীর সহায়তায়। টাকার অভাবে ছেলের চিকিৎসা করাতে পারছি না।

স্থানীয় বাসিন্দা আনারুল হক বলেন, রইসুদ্দিনের ছোট ছেলে তামিম ও মেজ ছেলে অমিত হাসান দুইজনই মানসিক ভারসাম্যহীন। তবে মেজ ছেলে অমিত হাসানকে বাঁশের খাঁচায় বন্দি করে রাখা হয়েছে। কারণ বাইরে বের হলেই সে মানুষকে মারধর করে।

তিনি আরও বলেন, এত বড় একটা ছেলেকে বাসের খাঁচায় বন্দি করে রাখা অনেক কষ্টের। যেমন কষ্ট পাচ্ছে তার বাবা-মা, তেমন এটা দেখে কষ্ট লাগে গ্রামবাসীরও।

চককীর্তি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বলেন, রইসুদ্দিনের পরিবারটি সত্যিই খুব অসহায়। তাদের জায়গা জমি তেমন কিছুই নেই। এদিকে কাঁধে পড়েছে দুই মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলের ভার। এতে তারা এখন নিঃস্ব। তবে আমরা তাদের সঙ্গে সব সময় ছিলাম। আগামীতেও থাকবো। তাদের প্রতিবন্ধী ভাতা দেওয়া হয়েছে।

শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুল হায়াত বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। খুব দ্রুত রইসুদ্দিনের বাসায় গিয়ে সহায়তা করা হবে। আর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার দুই ছেলের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।

সিলেট আলাপ/ জুই

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © সিলেটের আলাপ ২৪
Theme Customized By Shakil IT Park