
সিলেট আলাপ ডেস্ক :ইসলাম ধর্মে বলা আছে, এক মুসলমান আরেক মুসলমানের ভাই। এক মুসলমানের বিপদে অন্য মুসলমান এগিয়ে আসবে, সাহায্য করবে―এটাই কর্তব্য। এমনকি আশপাশে কিংবা প্রতিবেশী কোনো মুসলমানকে অত্যাচার করা হলে, ওই অত্যাচারীকে বাধা দেয়াও এই কর্তব্যের অংশ।
সম্প্রতি এ ব্যাপারে একটি সংবাদমাধ্যমে কথা বলেছেন ইসলামবিষয়ক গবেষক জোবাইদুল ইসলাম। এবার তাহলে নির্যাতিতাদের পাশে দাঁড়ানো নিয়ে ইসলাম কী বলছে, তা জেনে নেয়া যাক।
এ ব্যাপারে হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মহানবী (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘তোমার ভাইকে সাহায্য করো, হোক সে জালিম কিংবা মজলুম।’ আনাস (রা.) বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল (সা.), মজলুমকে সাহায্য করব, সেটা তো বুঝলাম। কিন্তু জালিমকে সাহায্য করব কী করে?’ বিশ্বনবী (সা.) বললেন, ‘তুমি তার হাত ধরে বিরত রাখবে তাকে।’ (অর্থাৎ, তাকে কোনো জুলুম করতে দেবে না)। (বুখারি: ২৪৪৪)
মহান আল্লাহ তাআলা মজলুমের পক্ষে লড়াই করার জন্য নির্দেশ দিয়ে এরশাদ করেন, ‘হে ইমানদারগণ, আর তোমাদের কী হলো যে, তোমরা আল্লাহর পথে লড়াই করছো না যেসব নারী, পুরুষ ও শিশুদের পক্ষে―যারা বলেন, হে আমাদের পালনকর্তা, নিষ্কৃতিদান করো আমাদের এই জনপদ থেকে। এখানকার অধিবাসীরা যে অত্যাচারী। আর আমাদের জন্য তোমার পক্ষ থেকে পক্ষাবলম্বনকারী নির্ধারণ করে দাও এবং আমাদের জন্য তোমার পক্ষ থেকে সাহায্যকারী নির্ধারণ করে দাও।’ (সুরা নিসা: ৭৫)
এছাড়া হযরত মুহাম্মদ (সা.) এরশাদ করেছেন, তোমাদের মধ্যে কেউ কোনো অন্যায় দেখলে তা যেন প্রতিহত করে সে, যদি তাতে সে সক্ষম না হয়, তবে সে যেন মুখে প্রতিবাদ করে। যদি তাতেও সে সক্ষম না হয়, তাহলে মনে মনে যেন তা পরিবর্তনের পরিকল্পনা করে। এটাই হচ্ছে ইমানের দুর্বলতম স্তর। (মুসলিম: ৪৯)
খবর পেতে সিলেটের আলাপ লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন
সিলেট আলাপ// জ্যোতি
