
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে গনতন্ত্র পূর্ন উদ্ধারের আন্দোলন ও নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সারাদেশের ন্যায় গোলাপগঞ্জে হরতাল কর্মসূচি পালন করা হয়। গত রবিবার (২৯ অক্টোবর) উপজেলার হেতিমগঞ্জ বাজারে বিএনপি কর্তৃক আহুত হরতাল কর্মসূচী পালনকালে বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে ছাত্রলীগ নেতাকর্মী ও পুলিশের সাথে এক সংঘর্ষের ঘঠনা ঘটে।
উক্ত ঘটনায় গোলাপগঞ্জ মডেল থানার এস আই জাহাঙ্গীর হোসেন বাদী হইয়া বিএনপির ৬ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করিয়া আজ্ঞাত আরোও ৫০/৬০ জনের বিরুদ্ধে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা (মামলা নং- ১৩) দায়ের করেন।
মামলাটির এজাহার নামীয় আসামীরা হলেন হাজীপুর গ্রামের মরহুম এডভোকেট মাওলানা রশীদ আহমদের ছেলে বিএনপি নেতা- তামিম ইয়াহইয়া আহমেদ, রফিপুর গ্রামের মতছির আলীর ছেলে আব্দুল শহীদ। মোল্লা গ্রামের নুর বক্সে্র ছেলে মুজিবুর রহমান দুলা, একই গ্রামের ছেলে শাহ আলম, একই গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে শাহ আলম, রফিপুর গ্রামের মনসুর আলীর ছেলে আল আমিন, হাজীপুর গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে লিমন আহমদ।
জানা যায় হরতাল কর্মসূচী পালনে সকাল ৬.৩০ ঘটিকার সময় বিএনপি নেতা তামিম ইয়াহইয়া আহমদের নেতৃত্বে কিছু নেতা কর্মী পিকেটিং করতে স্থানীয় হেতিমগঞ্জ বাজারে জড়ো হলে পুলিশ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা দাওয়া করে ছত্রভঙ্গ করিয়া দেয়। পরে পুলিশ বাদী হইয়া ঘটনাস্থলে থাকা আসামীগণের সাথে প্রবাসে থাকা গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সহ পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক লিমন আহমদ কে আসামী করা হয়।
এ বিষয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিএনপির বিভিন্ন কমিটির নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে ছিলেন। যদি প্রবাসী কারো নাম অন্তর্ভূক্ত হয়ে থাকে তবে তদন্তের পর তার নাম বাদ পড়বে। বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক সাধারণ জনগণ মন্তব্য করছেন।
খবর পেতে সিলেটের আলাপ লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন
সিলেট আলাপ//রৌদ্দ