
মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম: সিলেটের প্রচলিত একটি কথা আছে- ‘ভাদ্রের তালপাকা গরম’। ভাদ্রের মধ্যভাগে এসে সেই তাপপ্রবাহই বয়ে যাচ্ছে সিলেটের উপর দিয়ে। যদিও সিলেটে গাছের তালগুলো পেকে গেছে বেশ কয়েকদিন আগেই। সুস্বাদু তালের পিঠাপুলিও খেয়ে নিয়েছেন সিলেটের অনেকেই। আবার অনেকেই খাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার সিলেটে প্রচন্ড গরমের কারণে মানুষের জীবন যাত্রা মারাত্বক ব্যহত হয়েছে। একদিকে প্রচন্ড গরম, অপরদিকে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে মারাত্বক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে সিলেটবাসীকে। বিশেষ করে এইচএসসি পরিক্ষার্থীরা পড়েছেন বিপাকে। গরমের কারণে পরিক্ষার্থীরা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছেন না।
গরমে রাস্তায় রিকশা ও ভ্যান চালকরা ছায়ায় বসা আবার কাউকে রিকসার মধ্যে শুয়ে থাকতে দেখা গেছে। কিনব্রিজের নিচে বসে থাকা রিকশা চালক আলমগীর জানান, ‘প্রচন্ড গরমে রিকশা চালানো দায়, তাই বসে আছি।’
সিলেট আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী সিলেটের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। যা আগামী ২৪ ঘন্টায় কিছু কিছু জায়গায় হ্রাস পেতে পারে।
এছাড়াও, সহসাই তাপমাত্রার পরিবর্তনের কোন আভাস না পাওয়া গেলেও আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী আগামী ২৪ ঘন্টায় সিলেটে অস্থায়ী দমকা হাওয়া সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি সহ সিলেটের অনেক জায়গায় মাঝারি ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩১ আগষ্ট) সিলেটে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতা ছিলো সকাল ৯টায় ৮৫ শতাংশ আর সন্ধ্যা ৬টায় ৭৭শতাংশ।
সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মোঃ সজীব হোসাইন বলেন, চলমান তাপমাত্রা খুব বেশি পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। এই ধারা আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
খবর পেতে সিলেটের আলাপ লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন
সিলেট আলাপ/ আমিন উদ্দিন
