সিলেট আলাপ ডেস্ক :ভারতের যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে সম্প্রতি এক নারীর ছবি ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে, ভারতের বিভিন্ন রেলওয়ে স্টেশনে কুলিরা যেমন লাল পোশাক পড়ে থাকে, তেমনি পোশাক পরিহিত এক নারী কুলির কাজ করছেন। তিনি বিভিন্ন যাত্রীদের লাগেজ মাথায় বহন করছেন।
জানা গেছে, সন্ধ্যা মারাওয়ী নামের ওই নারীর বয়স ৩০ বছর। তিনিই ভারতের প্রথম মহিলা কুলি হিসাবে কাজ করছেন। ২০১৬ সালে এক সড়ক দুর্ঘটনায় তার স্বামী মারা যায়। তারপর তিনটি ছোট ছোট সন্তান এবং শাশুড়ির ভরনপোষণের দায়িত্ব তার মাথায় এসে পড়ে। নিরুপায় হয়ে বিভিন্ন জায়গায় কাজের সন্ধানে ছুটে বেড়ালেও তেমন কোনো কাজ তার ভাগ্যে জোটেনি, যা দিয়ে তিনি পরিবারের ভরনপোষণ করতে পারবেন। তাই বাধ্য হয়েই তিনি স্বামীর কাজকে বেছে নিয়েছেন।
এর আগে আনন্দবাজার পত্রিকায় তাকে নিয়ে একটি ফিচার প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে পত্রিকাটি দাবি করেছিল, সন্ধ্যা মারাওয়ী ভারতের প্রথম মহিলা কুলি।
ওই প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরের জয়পুর স্টেশনে কুলির কাজ করতেন সন্ধ্যার স্বামী মহাদেব। সে স্টেশনে তার কুলির লাইসেন্সও ছিল। স্বামী মারা যাওয়ার পর সন্ধ্যা ওই লাইসেন্স নিয়ে নিজেই শুরু করেন।
কুলি হিসেবে কাজ করতে গিয়ে পারিবারিক, সামাজিক বিবাদ ও মানসিক প্রতিবন্ধকতায় পড়েন সন্ধ্যা। কিন্তু সেসব কাটিয়ে সন্ধ্যা তার মা মোহিনীর উৎসাহে কুলির কাজে নেমে পড়েন।
প্রতিবেদনে স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, সন্ধ্যাকে তার স্বামীর লাইসেন্স দিতে কেউ রাজী হচ্ছিল না। তবুও সন্ধ্যার জেদের কারণে তাকে এই কাজ করা থেকে নির্বৃত্ত করা যায়নি। এই স্টেশনে সব পুরুষ কুলি হলেও সে তার কাজ খুব নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে করে যাচ্ছে।
প্রতিবেদনে সন্ধ্যা মারাওয়ী মজা করে বলেছিলেন, ‘আমার ওজন ৪0 কেজি ছিল এবং যাত্রীদের লাগেজের ওজনও ৪০ কেজি। অনেক কষ্ট হতো। কিন্তু তিনটি বাচ্চাকে খাওয়ানোর বোঝার তুলনায় এটা কিছুই না।’
খবর পেতে সিলেটের আলাপ লাইক পেইজে ( LIKE ) দিতে ক্লিক করুন
সিলেট আলাপ// শাকিব

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : এড. রিপা
সম্পাদক ও প্রকাশক : কুলসুমা বেগম(কলি)
নির্বাহী সম্পাদক : জিল্লুর রহমান
প্রধান কার্যালয় : আরকে মিশন রোড, ঢাকা।
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয় : আম্বরখানা, সিলেট-৩১00।
ইমেইল : sylheteralap@gmail.com
যোগাযোগ : 017184414066