
নিউজ ডেস্ক :: সিলেট আড়ং মলে লুটপাটের ঘটনায় জড়িত সিলেট ল’ কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি শাহিন এখনও দলীয় পদে বহাল রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে নেয়া হয়নি কোন পদক্ষেপ। যেখানে দেশের প্রায় সব জায়গায় লুটপাটের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে নেয়া হচ্ছে দলীয় ব্যবস্হা সেখানে শাহিন রয়েছেন ঠিক আগের মত।
সম্প্রতি তার একটি ভিডিও আামাদের কাছে এসেছে। ভিডিওটি নিয়ে আমরা দীর্ঘ সময় যাচাই বাচাই করি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন ছাত্রদল নেতা আমাদের শিওর করেন এটা শাহিনের ভিডিও। ভিডিওতে দেখা যায় শাহিন রেইনকোর্ট পরে আড়ং থেকে মালামাল লুট করে বের হচ্ছেন। এ সময় তিনি মালামাল নিয়ে দ্রুত সরে পড়েন।
সূত্র জানায়, গত ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার খবরে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষুব্ধ জনতা হামলা-ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করে। চলমান পরিস্থিতিতে নেতাকর্মীদের প্রতি কেন্দ্রীয় ছাত্রদল শান্তিপূর্ণ অবস্থা বজায় রাখতে নির্দেশনা দেন। এ নির্দেশনা অমান্য করে শাহিন ও তার সঙ্গীরা আড়ংএ লুটপাট চালান।
অন্য একটি সুত্র থেকে জানা যায়, শাহিনের বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অভিযোগ। তিনি ল’ কলেজে করেন ভর্তি বানিজ্য। তার ফেসবুকের ওয়ালে গিয়ে দেখা যায় তিনি দলীয় লগো (ব্যানার) ব্যবহার করে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন।

সুত্র জানায়, তিনি ছাত্রদলের নাম ভাঙ্গিয়ে করেন চাঁদাবাজি। গত ৫ আগষ্টের পর তিনি ল’কলেজের প্রিন্সিপালের কাছে চাঁদা দাবী করেন বলেও সুত্র নিশ্চিত করেছে।
এ ব্যাপারে ল’ কলেজের ছাত্রদল সভাপতি শাহিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথম সকালকে বলেন, ভিডিওটি তার নয়, কোন একটি কুচক্রি মহল তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি আরো বলেন, ঐদিন ঘটনাস্হলে তিনি ছিলেন না।
তিনি আগামীতে মহানগর কমিটিতে স্হান পাবেন সেই কারনে তার বিরুদ্ধে কে বা কারা এসব গুজব রটাচ্ছে। ভর্তি বানিজ্য নিয়ে তিনি জানান, ল’ কলেজে তার লেখাপড়া শেষ, তাহলে তিনি কিভাবে ভর্তি বানিজ্য করবেন।
এ ব্যাপারে ছাত্রদলের সিলেট মহানগরের সাধারন সম্পাদক সাথে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : এড. রিপা
সম্পাদক ও প্রকাশক : কুলসুমা বেগম(কলি)
নির্বাহী সম্পাদক : জিল্লুর রহমান
প্রধান কার্যালয় : আরকে মিশন রোড, ঢাকা।
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয় : আম্বরখানা, সিলেট-৩১00।
ইমেইল : sylheteralap@gmail.com
যোগাযোগ : 017184414066